প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৬:৫৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পরাজিত ও পলাতক ফ্যাসিস্ট শক্তির মোকাবিলাকেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ পুলিশ। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম জানিয়েছেন, এই শক্তি ও তাদের সমর্থকরা আইনশৃঙ্খলার জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমি তো কোনো শক্তির নাম নির্দিষ্ট করে বলতে পারব না। তবে যারা পরাজিত, পতিত ও পলাতক ফ্যাসিস্ট, তারাই আমাদের চ্যালেঞ্জ। তাদের নেতাকর্মী ও সমর্থকরাও আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ।
আইজিপি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশ থানা ছেড়ে চলে গিয়েছিল। সেখান থেকে এক বছরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। এখন মূল লক্ষ্য নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে সক্ষমতা অর্জন করা।
মোহাম্মদপুর নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, মোহাম্মদপুরে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সেনাবাহিনীর সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার চেষ্টা চলছে। তবে গ্রেপ্তারের পর জামিনে মুক্ত হয়ে অনেক অপরাধী পুনরায় অপরাধে জড়াচ্ছে। প্রয়োজনে নিবর্তনমূলক আটক ব্যবহারের কথাও ভাবা হচ্ছে।
পুলিশপ্রধান বলেন, এখনও ১ হাজার ৩৫০টি অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে অস্ত্রগুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী বা পাহাড়ি গোষ্ঠীর হাতে যেতে পারে। সবাইকে সন্দেহের তালিকায় রেখে উদ্ধার তৎপরতা চলছে।
আইজিপি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ২ হাজার ২০০ জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষক হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী ৫ অক্টোবর থেকে দেশের ১৩০টি কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ শুরু হবে। জানুয়ারি নাগাদ পুরো প্রশিক্ষণ শেষ হবে। এই প্রশিক্ষণে অডিও-ভিডিওসহ আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। অস্ত্রের নীতিমালা মেনে অস্ত্র ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।
আইজিপি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রশিক্ষণের মডিউল তৈরি করা হয়েছে। এতে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দক্ষতাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।