সাইফ বাবলু
প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০২৫ ১০:১৭ এএম
আপডেট : ১৩ মার্চ ২০২৫ ১১:০২ এএম
প্রবা গ্রাফিক্স
সঠিকভাবে নদী খনন না করেই হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তিনি প্রকৌশলী এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যোগসাজশে ভুয়া বিল তৈরির মাধ্যমে প্রকল্পের টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করেছেন। তাছাড়া দেশের কোনো উপকারে আসবে না জেনেও রাজনৈতিক বিবেচনায় লুটপাটের উদ্দেশ্যে কিছু প্রকল্পও নিয়েছিলেন।
তথ্য বিশ্লেষণে জানা যায়, বিআইডব্লিউটিএ সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৮টি প্রকল্পে ২৫ হাজার কোটি টাকার কাজ করেছে। প্রকল্পের পুরো টাকাই ব্যয় দেখানো হয়েছে বিভিন্ন নৌপথে খনন, ড্রেজার ও জ্বালানি ক্রয় এবং মেরামত কাজে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের কাজগুলো বাস্তবায়নের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগে অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী রকিবুল ইসলাম তালুকদার। টেন্ডার বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য, বদলি, পদোন্নতি বাণিজ্যের মাধ্যমে নামে-বেনামে হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। পাঁচ বছর আগে তার বিরুদ্ধে শুরু হওয়া দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান এখনও চলছে। তবে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অনুসন্ধান কাজ প্রভাবিত করে এখনও বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। আওয়ামী লীগের সরকারের প্রভাবশালীদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় পরিচয়ে ক্ষমতার দাপটে এ কর্মকর্তা পটপরিবর্তনের পর রাতারাতি ভোল পাল্টে এখন বিএনপির অনুসারী কর্মকর্তা বনে গেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রকিবুল ইসলাম তালুকদার তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর ও দুর্নীতি দমন কমিশনে যে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। অভিযোগের কপি আমার কাছেও আছে।’
তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেন, ‘তারা (দুদক) আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ খুঁজে বের করুক। যদি কিছু পায় তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে আমার কোনো সমস্যা নেই।’
নিজের একসময়কার রাজনৈতিক পরিচয় উল্লেখ করে রকিবুল ইসলাম তালুকদার প্রতিদিনের বাংলাদেশকে আরও বলেন, ‘আমি ছাত্রদলের রাজনীতি করতাম। কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি আপনার ব্যাপারেও খোঁজখবর নিয়েছি, আপনি আমার অফিসে আসুন, সাক্ষাতে সব কথা হবে।’
তবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, প্রকৌশলী রকিবুল ইসলাম তালুকদার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনপ্রশাসন ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমামের ভাগ্নি জামাই। ২০১৮ সালে দুদকে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ গড়ার অভিযোগ জমা পড়ে। অভিযোগটি আমলে নিয়ে দুদক তদন্তও শুরু করে। তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হলেও তিনি ক্ষমতার দাপটে অনুসন্ধান ধামাচাপা দেন। সরকার পতনের পর বর্তমানে তার বিরুদ্ধে দুদকে আরেকটি অভিযোগ জমা পড়েছে।
দুদকে দেওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, বিআইডব্লিউটিএর প্রধান প্রকৌশলী (ড্রেজিং) রকিবুল ইসলাম তালুকদার ঘুষ, দুর্নীতি আর বিভিন্ন প্রকল্পের কমিশনের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। ঢাকার রাজউক পূর্বাচলে ৭.৫ কাঠার ২টি প্লট, গাজীপুরে ৫ একর শালবাগান, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ৩টি প্লট, টঙ্গী এলাকায় ১০ কাঠার জমি, টাঙ্গাইলে স্থায়ী ঠিকানায় ৬ তলাবিশিষ্ট ৩টি আলিশান বাড়ি, ১০ একর জমির শালবাগান, ১৫৭ আইডিয়াল হোমস, ঢাকার শান্তিনগর-পল্টন এলাকায় ৩৭০০ বর্গফুটের ৪টি ফ্ল্যাট, ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ের পাশে আমিন মোহাম্মদ হাউজিং, প্রিয়াঙ্কা সিটিতে ৪টি প্লটসহ গুলশান, বনানী, সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় রয়েছে বেশ কয়েকটি আলিশান ফ্ল্যাট।
এগুলো তিনি নামে-বেনামে নিকট আত্মীয়দের নামে কিনেছেন। এ ছাড়াও শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ রয়েছে ৭ কোটি টাকা। তিনি সরকারি অর্থ অপচয় করে একাধিকবার এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা ভ্রমণ করে হুন্ডির মাধ্যমে শত শত কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন।
প্রকৌশলী রকিবুল ইসলাম তালুকদার ১০ বছর ধরে ড্রেজিং বিভাগে কর্মরত। এ সময়ে তিনি ড্রেজিং বিভাগের ৩৫টি ড্রেজারসহ ২০০টি বিভিন্ন ধরনের সহযোগী জাহাজ, জলযান মেরামত, তেল চুরি, ড্রেজিং ঠিকমতো না করে ভুয়া বিল প্রস্তত করা, টেন্ডার সিডিউল অনুযায়ী নেদারল্যান্ডস, আইএইচসি, আমেরিকার ড্যামেন কোম্পানির ড্রেজার মেশিন ক্রয় না করে দেশীয় যন্ত্রপাতি সংযোজনের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নিম্নমানের ড্রেজার, মেশিন ও জলযানগুলো প্রায় সময়ই বিকল হয়ে থাকে।
সূত্র আরও জানিয়েছে, দুদক প্রধান কার্যালয়ের (স্মারক নং-০০.০১.০০০০.৫০১.০৩.০৮.২৪/২০১৫) মোতাবেক ২০২৩ সালের ৮ জুলাই দুদকের বিশেষ তদন্ত ও অনুসন্ধান-১ শাখার সহকারী পরিচালক মো. খোরশেদ আলম, প্রকৌশলী রকিবুল ইসলাম তালুকদার, তার স্ত্রী-সন্তান এবং তার ওপর নির্ভরশীল পরিবার এবং ব্যক্তিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব নির্দিষ্ট ছক অনুযায়ী দাখিলের জন্য পত্র জারি করেন। সাবেক আওয়ামী সরকারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হওয়ায় নোটিস অনুযায়ী সম্পদের হিসাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাখিল না করলেও দুদক আইন অনুযায়ী রকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুদক কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, রকিবুল ইসলাম তালুকদার তার স্ত্রীকে বিআইডব্লিউটিএর একজন প্রতিষ্ঠিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োগ দেখিয়ে ভুয়া বেতন-ভাতাদি গ্রহণ দেখিয়ে এবং বিগত কয়েক বছরের আয়কর নথি যোগসাজশে পরিবর্তন করে শতকোটি টাকা সাদা করেছেন। অভিযোগগুলো তদন্ত করে রকিবুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানিয়ে এক ভুক্তভোগী প্রধান উপদেষ্টা বরাবর আবেদন করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলমকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে রকিবুল ইসলাম তালুকদার তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ধামাচাপা দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য ভুক্তভোগী তার আবেদনে আরজি জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ১৯২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে অভ্যন্তরীণ নৌ-পথের ৫৩টি রুটে ক্যাপিটাল ড্রেজিং (১ম সংশোধিত ২৪টি নৌপথ) প্রকল্পে শর্তসাপেক্ষে প্রেষণে রফিকুল ইসলামকে প্রকল্প পরিচালক করা হয়। সংশোধিত ২৪ নৌপথ ড্রেজিং প্রকল্পের দরপত্রে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিটি প্যাকেজে ১০ শতাংশ করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। প্রকল্পের কাজ শেষ না করেই আওয়ামী লীগের প্রভাবশালীদের ক্ষমতাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ‘পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তুলাই, পুনর্ভবা নদীর নাব্যতা উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার শীর্ষ’ প্রকল্পে ৪ হাজার ৩৭১ কোটি ব্যয়ে বাস্তবায়িত প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে রকিবুল ইসলাম তালুকদার নিয়োগ পান।’
অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘শুধু হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করার জন্য অপ্রয়োজনীয় এই প্রকল্পগুলো সরকার রাজনৈতিক বিবেচনায় হাতে নিয়েছিল। বাস্তবে এর কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। প্রকল্প পরিচালক বাস্তবে সামান্য কিছু ড্রেজিং করেছেন। কিন্তু কাগজে-কলমে দেখানো হয়েছে বাস্তবের চেয়ে ৬০ থেকে ৭০ ভাগ বেশি কাজ। এর মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এবং বিআইডব্লিউটিএর দুর্নীতিবাজ চক্র আত্মসাৎ করেছে হাজার হাজার কোটি টাকা।’
দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিতে বিআইডব্লিউটিএর নিজস্ব হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ থাকলেও এ বিভাগের মাধ্যমে প্রকল্পের ড্রেজিংয়ের জরিপ করানো হয় না। অভিযোগ রয়েছে, কোটি কোটি টাকা অপচয় করে বেসরকারি কনসালট্যান্ট নিয়োগ দিয়ে ড্রেজিংয়ের জরিপ করানো হয়। এই বেসরকারি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রকল্প পরিচালক রকিবুল ইসলাম তালুকদার তার ইচ্ছে অনুযায়ী মাটির পরিমাণ বৃদ্ধি করে শতকোটি টাকা লুটপাট করেছেন। এ নিয়ে রকিবুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তদন্ত কাজে বাধা দেওয়ায় তদন্তটি এখনো আলোর মুখ দেখেনি।
সূত্র জানিয়েছে, র্যাবের সাবেক মুখপাত্র এবং চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের সাবেক চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) সোহায়েল আহমেদ (বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে) রকিবুল ইসলাম তালুকদারের স্ত্রীর বড় ভাই। এইচটি ইমাম, মির্জা আজম, সাবেক নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক এমপি শেখ হেলাল, লিটন চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সাবেক মন্ত্রী এমপিদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে রকিবুল ইসলাম তালুকদার গত সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি এবং সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। ক্ষমতার জোরে তিনি বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, সদস্য কাউকে পাত্তা দেন না। রকিবুল ইসলাম তালুকদার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নোয়াখালী-১ আসনের সাবেক এমপি আনোয়ার হোসেন খানের ড্রেজিং প্রতিষ্ঠানে, সাবেক এমপি শেখ হেলাল এবং সাবেক চিফ হুইপ লিটন চৌধুরী, সালমান এফ রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান (তরুণ) গংয়ের নামে বেনামীয় বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার ড্রেজিং দিয়েছেন।
রকিবুল ইসলাম তালুকদার সাবেক নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর প্রধান সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে প্রধান প্রকৌশলী (ড্রেজিং) রকিবুল ইসলাম তালুকদারের মাধ্যমেই নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সাবেক দুই মন্ত্রী হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সঙ্গে ছিল রকিবুল ইসলাম তালুকদারের অবৈধ লেনদেন।
অভিযোগ রয়েছে, উৎকোচের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত নিয়োগ বিধিবিধানের তোয়াক্কা না করে রকিবুল ইসলাম তালুকদার সর্বকনিষ্ঠ প্রকৌশলী হয়েও সিনিয়র দুজন প্রকৌশলীকে (মহিদুল ইসলাম এবং আতাহার আলী সরদার) ডিঙিয়ে প্রধান প্রকৌশলী (ড্রেজিং) পদ বাগিয়ে নেন। প্রধান প্রকৌশলী ড্রেজিং পদে অর্থ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগবিধি প্রজ্ঞাপন তদন্ত করলে গত সরকারের এই ভয়াবহ অনিয়মের তথ্য উদঘাটিত হবে।
বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষে অভিযোগ দাখিলকারী ওসমান গনি এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘গত সরকারের উচ্চ পর্যায়ে তার যোগাযোগ থাকায় কোনো শক্তিই তার কিছু করতে পারেনি। তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে বদলি, চাকরিচ্যুতসহ বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা বানোয়াট মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। পাশাপাশি তার পালিত কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়েও শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়। তার ইশারা এবং কথার বাইরে বিআইডব্লিউটিএতে একটি পাতাও নড়ে না। বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, সদস্য, অন্যান্য বিভাগীয় প্রধান তার ক্ষমতার কাছে জিম্মি।’