প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৭:৩৪ পিএম
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২১:২৯ পিএম
সরকারি তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। একইসাথে কর্মসূচিতে যেন জনভোগান্তি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধারণ করতে হবে। তাদের শিক্ষাজীবন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে এ সরকার দায়িত্বশীল। এ মুহূর্তে হয়তো অনেক কিছু করা সম্ভব নয়। এজন্য জনভোগান্তি যেন না হয়, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। আশা করি ভালো কিছু হবে।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে সরস্বতী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, সাত কলেজের সমস্যাটা দীর্ঘদিনের জটিল সমস্যায় পরিণত হয়েছিল। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নেওয়া একটি ভুল সিদ্ধান্তের কারণে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অন্তর্বতী সরকার প্রথম থেকেই সাত কলেজের সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট। সেখানে থাকা প্রত্যেকটি কলেজকে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। হয়তো শিগগির একটি ইতিবাচক সমাধানের পথে তৈরি হবে।
শিক্ষার্থীদের বিষয়গুলো খুবই সংবেদনশীলভাবে বিবেচনা করা উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের আহ্বানে মানুষ জুলাই আন্দোলনে রাজপথে নেমে এসেছিল। মানুষের সমর্থন পাওয়াটা যে কোনো আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বলেছি, কেউ কোনো যৌক্তিক দাবি নিয়ে রাস্তায় নামলে আমরা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব। তবে সবাইকে কর্মসূচি দেওয়ার ক্ষেত্রে জনভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।
এদিকে মহাখালীতে তিতুমীর শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে রেলপথ অবরোধ করে রেখেছেন। এতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উপকূল এক্সপ্রেস আটকা পড়ে।
উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের লোকো মাস্টার মো. লতিফ জানান, আমি কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ৩টা ২৫ মিনিটে ছেড়ে আসি। মহাখালি রেলগেটের পৌঁছানোর আগেই দেখতে পাই লাল কাপড় উড়িয়ে অনেক মানুষের জটলা। আমার লোকো ঘন্টায় ৩০ কি.মি. গতিতে ছিল। এমতাবস্থায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে ট্রেন থামাতে হয়। এতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে, তবে কোনও সমস্যা হয়নি।