× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

তেলের দাম বাড়াতে ফের কৃত্রিম সংকটের ফাঁদ

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৫ ১২:২১ পিএম

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

ভোজ্য তেলের দাম বাড়ানোর পরও সংকট মিটছে না। এক মাসের ব্যবধানে আবারও বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট দেখা দিয়েছে। এতে নতুন করে ভোগান্তিতে পড়েছে ক্রেতারা। যথাযথ তদারকির অভাবে মিল থেকেই কৃত্রিম সংকট তৈরি করায় ডিলারের কাছে পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ খুচরা বিক্রেতাদের। এ অবস্থায় বাজারে তেলের সরবরাহে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। জানা গেছে, সয়াবিন তেলের দাম এক মাসের ব্যবধানে আরও বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। গত ৯ ডিসেম্বর লিটারে ৮ টাকা বাড়ানোর পর সম্প্রতি আবার দাম বাড়ানোর জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোয়িশেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মহাখালী কাঁচাবাজার ও কুড়িল বিশ্বরোডের মুক্তিযোদ্ধা কেবি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট এখনও রয়ে গেছে। বোতলজাত পাঁচ লিটারের তেলের কিছুটা সরবরাহ থাকলেও এক ও দুই লিটারের বোতল পাওয়া যাচ্ছে না। হাতে গোনা দুয়েকটি দোকানে পাওয়া গেলেও তা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সয়াবিন তেলের দাম লিটারে আরও ১১ টাকা বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে কোম্পানিগুলো। যার কারণে তারা বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।

কুড়িল বিশ্বরোডের ব্যবসায়ী মাহিম হাওলাদার বলেন, ‘কোম্পানিগুলো তেল সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। শুধু একটি কোম্পানি থেকে ৫ লিটারের কয়েকটি বোতল আনতে পারেছি। তাও আবার আটা ও ময়দা কেনার শর্তে। বাকি কোম্পানিগুলো একেবারে বন্ধ রেখেছে। যার কারণে ক্রেতাদের এক লিটার ও দুই লিটারের বোতল দিতে পারছি না।’

কারওয়ান বাজারে ফ্রেশ তেলের ডিলার বিপ্লব চন্দ্র পাল বলেন, ‘কোম্পানি তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। আমরা চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছি না। বিশ্ববাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় কোম্পানিগুলো নতুন করে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। আশা করছি, নতুন দাম কর্যকর হলে সরবরাহ বাড়বে।’

সর্বশেষ গত ৯ ডিসেম্বর ভোজ্য তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ওই সময় বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ৮ টাকা বাড়িয়ে ১৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর খোলা প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৪৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫৭ টাকা করা হয়। খোলা পাম তেলও লিটার ১৪৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫৭ করা হয়েছে। এ ছাড়া বোতলজাত পাঁচ লিটার সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয় ৮৬০ টাকা, যা আগে ছিল ৮১৮ টাকা।

মুরগির বাজার : এদিকে রাজধানীর বাজারগুলোতে এখনও চড়া মুরগির দাম। তবে ক্রেতার নাগালেই রয়েছে পেঁয়াজ, আলু, ডিম ও সবজি। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মুড়িকাটা পেঁয়াজ মানভেদে ৫০ থেকে ৬৫ টাকায় এবং নতুন আলু ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে রসুন আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি দেশি রসুন ২৩০ থেকে ২৪০ টাকায় এবং আমদানিকৃত রসুন ২১০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুরগির বাজারে দেখা যায়, ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ থেকে ২১০ টাকা এবং সোনালি মুরগি মানভেদে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজিতে। ডিমের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজার : শীতকালীন সবজির মধ্যে শিম মানভেদে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতি পিস ২০ থেকে ৩০ টাকায়, বেগুন মানভেদে কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকায়, কাঁচা টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, পাকা টমেটো ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, লম্বা লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, কাঁচামরিচ ৮০ টাকায়, শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, মিষ্টিকুমড়া কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, পেঁপে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, গাজর ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, মুলা ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা