প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ২২:৩৪ পিএম
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। ফাইল ফটো
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ দাবি করেছেন, সময় টেলিভিশনের পাঁচ সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুতির বিষয়ে বিদেশি সংবাদ সংস্থা এএফপি মিথ্যাচার করেছে।
তিনি বলেন, চাকরিচ্যুতির জন্য সময় টিভির মালিকদের কাছে কোনো সাংবাদিকের তালিকা দেননি এবং টিভি চ্যানেলটির শেয়ারও দাবি করেননি। কিন্তু এএফপি তার প্রতিবেদনে ঘটনাটিকে এমনভাবে তুলে ধরেছে যে, ছাত্ররা সাংবাদিকদের বরখাস্ত করতে মালিকদের বাধ্য করেছে, যা সত্য নয়।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের ভেরিফায়েড আইডিতে এক স্ট্যাটাসে হাসনাত আবদুল্লাহ এই বিষয়টি স্পষ্ট করেন।
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে শতাধিক শিক্ষার্থীসহ প্রায় ২ হাজার নিহত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হয়েছে। তবে এই সময় অনেক টিভি স্টেশন, সংবাদপত্র এবং খবরের ওয়েবসাইট সাংবাদিকতায় ন্যূনতম নৈতিকতা প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়েছে। তারা ছাত্র এবং আন্দোলনকারীদের ‘জঙ্গবাদী’ এবং ‘ইসলামি চরমপন্থি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
হাসনাত আরও বলেন, সময় টিভি মানবতার বিরুদ্ধে হাসিনার প্রতিটি অপরাধকে সমর্থন ও বৈধতা দিয়েছে। ভিন্নমত পোষণকারীদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চালিয়েছে এবং শহিদুল আলম, ডেভিড বার্গম্যান, লিসা গাজী এবং এএফপি ফ্যাক্ট চেক সম্পাদক কদর উদ্দিন শিশিরের মতো মানুষদের বিরুদ্ধে ভুলভাল রিপোর্ট প্রচার করেছে।
তিনি বলেন, এএফপি ঘটনাটি এমনভাবে বর্ণনা করেছে যে, ‘আমরা সিটি গ্রুপে প্রবেশ করেছি’, যা সত্য নয়। আমরা সময় টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সাথে জুলাইয়ে সময় টিভির জনবিরোধী ভূমিকা নিয়ে কথা বলেছি, কিন্তু বরখাস্তের জন্য কোনো সাংবাদিকের তালিকা দিইনি এবং টিভি স্টেশনের শেয়ারও দাবি করিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, আমরা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আন্দোলনকালে হাসিনার নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত সাংবাদিক এবং যারা সত্য রিপোর্ট করতেন সেই সাংবাদিক ও সম্পাদকদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। আমরা সব বিদেশি সংবাদমাধ্যমের বিপ্লবের সময় তাদের ভূমিকার জন্য অভিবাদন জানাই।