× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সরকারি স্থাপনাগুলো এখন ধ্বংসস্তূপ

দুর্যোগ ভবন ভুতুড়ে বাড়ি, সেতু ভবনে গাড়ির কঙ্কাল

সেলিম আহমেদ ও ফারুক আহমাদ আরিফ

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৪ ০৯:০৪ এএম

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৪ ১০:৫১ এএম

হামলার সময় সেতু ভবনের সামনে থাকা যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত

হামলার সময় সেতু ভবনের সামনে থাকা যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত

‘সেদিন বিকালে হঠাৎ করে কিছু লোক এসে আমাদের বিল্ডিংয়ের দিকে বৃষ্টির মতো ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। ভেঙে চুরমার হয়ে যায় সামনের দিকের গ্লাস। এরপর তারা অফিসের সামনে রাস্তায় থাকা গাড়িগুলোয় আগুন দেয়। এরপর গেট ভেঙে অফিসের বেজমেন্টের পার্কিংয়ে থাকা গাড়িতেও আগুন লাগায় ওরা। সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে লিফটসহ ওপরের দিকে। আমরা তখন অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দিই। নিচে পুড়ে যাওয়া গাড়িসহ অন্যান্য জিনিসের ধোঁয়ায় অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায় পুরো বিল্ডিং। নিচ দিয়ে বের হয়ে আসার পথ বন্ধ থাকায় ভয়ে জীবন বাঁচাতে ছোটাছুটি করতে থাকি ছাদের দিকে। বেঁচে ফিরব আমাদের কল্পনায়ও ছিল না। ছাদে যাওয়ার পর পাশের বিল্ডিংয়ের দুই-তিনজন কর্মচারী একটি মই সংযোগ দিয়ে আমাদের উদ্ধার করে তাদের বিল্ডিংয়ে নেয়। সেই কর্মচারীরা আর মইটা আমাদের কাছে এসেছিল ফেরেশতা হয়ে। তারা না থাকলে আমাদের পুড়ে কঙ্কাল হওয়া ছাড়া কোনো পথ ছিল না।’ 

বলছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালকের (প্রশাসন) একান্ত সহকারী রাশেদুল ইসলাম। তিনি বসেন ওই বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায়। গত রবিবার সকালে সেদিনের লোমহর্ষক ঘটনার স্মৃতিচারণ করার সময়ও তার চোখেমুখে ছিল ভয় আর আতঙ্ক। তিনি বলেন, ‘জীবনে এমন বিভীষিকাময় পরিস্থিতির মধ্যে পড়ব, তা কল্পনাও করিনি। আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেছেন।’

একই কথা বললেন অধিদপ্তরের গাড়িচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, ‘আন্দোলনকারীরা যখন ইটপাটকেল ছোড়া শুরু করল, তখন ভয়ে আমরা তিনতলায় একটি রুমে আশ্রয় নিই। তারা এভাবে আগুন দেবে সেটা আমাদের কল্পনায়ও ছিল না। তারপর যখন আগুন দিল, ধোঁয়ায় নিশ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। অফিস থেকে ফায়ার সার্ভিসে ফোন করেও দ্রুত কোনো সাড়া মিলছিল না। তখন মনে করেছি মৃত্যু অনিবার্য। ভয়ে সবার মধ্যে কান্নার রোল পড়ে যায়। তারপর কোনোভাবে আমরা ছাদে উঠে পাশের বিল্ডিংয়ে গিয়ে রক্ষা পাই।’

শুধু তারা নন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রায় ৪০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী গত ১৮ জুলাই বিকালে পার করেছেন এমন বিভীষিকাময় সময়। সেই ভয় এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি অনেকেই। 

ঢাকার বাইরেও একই অবস্থা

ঢাকার বাইরেও চলেছে এই তাণ্ডবলীলা। বিক্ষোভকারীরা নরসিংদী জেলা কারাগারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পর অস্ত্রাগার থেকে লুট করে নেয় ৮৫টি অস্ত্র। এই সুযোগে পালিয়ে যায় ৯ জঙ্গিসহ ৮২৬ আসামি। নরসিংদী পৌরসভা ও ইউনিয়ন কার্যালয়েও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

হামলাকারীরা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আগুন দেয়। এতে চারতলা ভবনটি একেবারে পুড়ে যায়। পুড়ে যায় গ্রাহকদের দেওয়ার জন্য তৈরি আট হাজার পাসপোর্ট। এ ছাড়া পিবিআইয়ের নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়, শহরের দুই নম্বর রেলগেট পুলিশ বক্স, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনেও আগুন দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় আলী আহমদ চুনকানগর পাঠাগার। আগুন দেওয়া হয় শিমরাইল এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের একটি কার্যালয়ে।

ঢাকার যেসব স্থানে হামলা অগ্নিসংযোগ

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় নজিরবিহীন তাণ্ডব চলেছে সরকারি স্থাপনায়। যাত্রাবাড়ীতে মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজায় আগুন দেওয়ার মধ্যদিয়ে শুরু হওয়া এ তাণ্ডবের সময় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয় বিটিভি ভবন, সেতু ভবন, বিআরটিএ প্রধান ভবন ও বিআরটিএর মিরপুর কার্যালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মিরপুরের ইনডোর স্টেডিয়াম, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী ও মহাখালী টোল প্লাজা, মিরপুর ১০ নম্বর ও কাজীপাড়া মেট্রো স্টেশন, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), মহাখালীর বিআরটিএর ডেটা সেন্টার, কেপিআই ভবনসহ নানা সরকারি অফিসে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কয়েকটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ৩০টি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে, ভাঙচুর করা হয়েছে ১৭টি গাড়ি। মশার ওষুধ ছিটানোর স্প্রে মেশিন, মশার ওষুধ নষ্ট করা হয়েছে, তুলে নেওয়া হয়েছে সড়কবাতি।

রক্ষা পায়নি ফায়ার সার্ভিসও

মিরপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে হামলা চালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি। হামলাকারীদের আক্রমণে আহত হয়েছেন ফায়ার ফাইটাররাও। ঢাকা মহানগর পুলিশ জানায়, গত কয়েক দিনের সহিংসতায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দিয়ে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকার ক্ষতি করা হয়েছে। আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে গুলশানে ট্রাফিক উপকমিশনারের অফিস। এসি রমনা, রামপুরা, মহাখালী ও উত্তরা অফিস, বনশ্রী পিবিআই অফিসে আগুন ও ভাঙচুর করা হয়েছে। পুরো ঢাকা শহরে মোট ৫৪টি ট্রাফিক পুলিশ বক্স পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগ ভবন এখন যেন ভুতুড়ে বাড়ি

সরেজমিনে গত রবিবার সকালে দুর্যোগ ভবনে গিয়ে দেখা যায়, আগুন আর ধোঁয়ায় কালো হয়ে যাওয়া ১২তলার এই ভবন দাঁড়িয়ে আছে মূর্তির মতো। দেয়ালে দেখা দিয়েছে অসংখ্য ফাটল। ভবনের সামনের রাস্তা আর পার্কিংয়ে সারি সারি পোড়া গাড়ি আর মোটরসাইকেলের কঙ্কাল। ভবনটির সামনের অংশের অধিকাংশ কাঁচের গ্লাসই ভাঙা, ঝুলছে পুড়ে যাওয়া এসি। ভবনটিতে ঢুকে দেখা যায়, প্রথম তলার সার্ভার স্টেশন, জরুরি সাড়াদান সমন্বয় কেন্দ্র (ইউআরসিসি), আনসার ব্যারাক, এক হাজার কেভির বৈদ্যুতিক সাব স্টেশন, লিফট পুড়ে কয়লা হয়ে আছে। দ্বিতীয় তলার প্রশাসনিক ও মহাপরিচালকের দপ্তর, তৃতীয় তলার কাবিখা ও ত্রাণ প্রকল্পের অফিসসহ ওপরের দিকের অধিকাংশ রুমের আসবাবপত্র, জরুরি কাগজপত্রসহ অন্যান্য মালামাল পুড়ে অঙ্গার হয়ে আছে। এখনও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় অন্ধকার আর দেয়ালজুড়ে কালো ধোঁয়ার আস্তর, ফ্লোরে বিভিন্ন জিনিসপত্র পুড়ে যাওয়া অঙ্গার তৈরি করেছে এক ভুতুড়ে পরিবেশ।

ভবনটির ক্ষতির পরিমাণ এখনও পুরোপুরি নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) রাসেল। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ৫০০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মেট্রোরেল কবে চালু হবে কেউ জানে না

কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে গত ১৯ জুলাই ভাঙচুর হয় রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর ও কাজীপাড়া মেট্রোরেল স্টেশন। এতে স্টেশনের গ্লাস, টিকিট কাউন্টার, কার্ড কালেকশন মেশিন ও কার্ড পাঞ্চিং মেশিন, ডিসপ্লে মনিটর, কম্পিউটারসহ যাবতীয় সরঞ্জাম ভেঙে চুরমার করা হয়েছে। ভাঙচুর শেষে করা হয়েছে লুটপাট। কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তা এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত আসবে কবে নাগাদ মেট্রোরেল চালু করা যাবে।

স্টেশন দুটিতে গতকাল রবিবার সরেজমিনে দেখা যায়, সব গেটে তালা দিয়ে রাখা হয়েছে। কয়েকজন পুলিশ, আনসারদের একটি দল ও মেট্রোরেলের নিরাপত্তাকর্মীরা পাহারা দিচ্ছেন। গেটে এখনও ভাঙা ইট, পাথরসহ বিভিন্ন জিনিস ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে। 

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম.এ.এন ছিদ্দিক গতকাল সোমবার প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘হামলার ক্ষয়ক্ষতি জানতে টেকনিক্যাল টিমসহ অন্যান্য সেক্টরের লোকদের নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো কথা বলতে পারব না।’

সেতু ভবনে গাড়ির কঙ্কালের স্তূপ

গত রবিবার মহাখালীর সেতু ভবনে গিয়ে দেখা যায়, অফিস ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় বাইরে অস্থায়ীভাবে শামিয়ানা টানিয়ে অফিস করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ভবনের পাশের ফাঁকা জায়গাগুলোতে পোড়া গাড়ির স্তূপ। একটা গাডিও ভালো নেই। ভবনের কাচগুলো ভেঙে চুরমার করে ফেলা হয়েছে। সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনার (এসি)গুলো পুড়ে গেছে। সেতু ভবন চত্বরে কয়েকটি কাঁঠাল গাছ, আমগাছ ও মেহগনি গাছ পুড়ে গেছে। আনসার ক্যাম্প, সোনালী ব্যাংকের এটিএম বুথসহ বিভিন্ন স্থাপনাও পুড়ে গেছে। 

১৮ জুলাই বিকালে সেতু ভবনে দায়িত্ব পালন করছিলেন আনসার নুরুল হুদা। তিনি বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার বিকালে ছুটি হলে অফিসের কর্মকর্তারা নিজ নিজ বাসায় যাচ্ছিলেন। এ সময় কয়েক হাজার লোকের এক মিছিল এসে ভবন চত্বরে ঢুকে পড়ে। তারা এসে ভাঙচুর চালায়। কেউ কেউ আগুন দেয়। অনেকেই অফিসের আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে গেছে।’ 

একই দিন রাত ১০টার পর ভবনে দায়িত্বরত ছিলেন নিরাপত্তাকর্মী মো. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এত মানুষের উপস্থিতি, হাঙ্গামা, ভাঙচুর। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ায় যে যার জীবন বাঁচাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল। আমরা এই পরিস্থিতিতে কাউকে প্রতিহত করতে পারিনি।’

বন্ধ রয়েছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

মহাখালী ও বনানী টোল প্লাজায় আগুন দেওয়ায় বন্ধ রয়েছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচল। গত ১৮ ও ১৯ জুলাই এ দুটি টোল প্লাজায় আগুন দেওয়া হয়। এ সময় টোল প্লাজা দুটি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। 

এ দুটি টোল প্লাজায় প্রায় ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক এএইচএম সাখাওয়াত আখতার। তিনি বলেন, ‘আমরা পরিবেশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। কোম্পানির সঙ্গে কথা বলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু করার চেষ্টা করব।’

ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে টোল আদায় হচ্ছে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে 

গত ১৮ জুলাই সন্ধ্যায় মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের যাত্রাবাড়ীর দুটি টোল প্লাজায় আগুন দেয় দুষ্কৃতকারীরা। এতে দুটি টোল প্লাজার ১০টি বুথ পুড়ে গেছে। গতকাল সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, একটি টোল প্লাজার ৫টি বুথ কিছুটা সংস্কার করে সেখানে টোল আদায় করা হচ্ছে। কর্মীরা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে টোল আদায় করছেন। 

গত বৃহস্পতিবারের আগুন সম্পর্কে সেদিন উপস্থিত থাকা কর্মচারী মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একদল লোক মিছিল নিয়ে এসে ভাঙচুর করে ও আগুন দেয়। ভাঙচুরের সময় একটি কাচের টুকরা এসে আমার মাথায় বিঁধে যায়। পরে আমি রক্তাক্ত অবস্থায় সেখান থেকে চলে আসি।’ 

ফ্লাইওভারের টোল আদায় করা প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের সেফটি অ্যান্ড ট্রাফিক বিভাগের ডেপুটি ম্যানেজার মো. নাইফ উদ্দিন খান বলেন, ‘দুটি টোল প্লাজায় ভাঙচুর ও আগুনের ঘটনায় আমাদের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে; তা হিসাবে করা হয়নি। আর এসব সংস্কার করতে কত দিন লাগবে তাও অনিশ্চিত। কেননা আমরা ভারত ও জাপানের দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করি। এক্ষেত্রে যেসব যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের সেসবের তালিকা দিয়ে মেইল করেছি। তারা এসে এসব দেখার পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। আর তারাই সিদ্ধান্ত নেবে এসব কত দিনের মধ্যে ঠিকঠাক করে দেওয়া যাবে।’ 

টোল প্লাজাগুলোতে হামলার আগে কোনো ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেখানে পুলিশ ছিল। এক পর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হলে পুলিশ স্থান ত্যাগ করে। এই সময় হামলাকারীরা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা