প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৪ ১৬:০৫ পিএম
আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২৪ ১৭:১৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের মেয়েরাও ‘রাজাকার’ স্লোগান দিচ্ছেন। এসব দেখে দুঃখ লাগে। তারা কি ১৯৭১ সালে এ হলের ইতিহাস জানেন?
সোমবার (১৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সরকারের মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি এবং শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ যেমন গড়তে চাই, তেমনি কর্মকর্তাদের এ দিকটাও দেখতে হবে। যেখানে অনিয়ম হবে আপনারা যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। সমাজটাকে আরও শুদ্ধ করতেই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে না সরকার। যে যেখানে যাই করুক না কেন, দুর্নীতির দায় চাপানো হয় সরকারের ওপর। তবে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান মানে প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, সব মন্ত্রণালয়ে নিচের দিকেও যাতে দুর্নীতি-অনিয়ম না হয়, সেটি কর্মকর্তাদের নজরদারিতে রাখতে হবে। সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে, অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে পারলে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি এটি সরকারি কাজে গতিশীলতার পাশাপাশি আস্থা তৈরি হয়। মানুষের মাঝে পাশাপাশি জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়। দুর্নীতি দমনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে এবং তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
কেউ যেন চক্রান্ত করে খাদ্যের দাম বাড়াতে না পারে, সেজন্য নজরদারি ও তদারকি বজায় রাখতে হবে-এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও নজরদারি জরুরি। এবার আবার বন্যা হতে পারে। টানা খরায় হিমালয়ের বরফ গলেছে বেশি। এবার বন্যা দীর্ঘায়িত হতে পারে তা মোকাবিলার প্রস্তুতি এখন থেকেই থাকতে হবে, যাতে কারও কাছে হাত পাততে না হয়।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা প্রকল্পগুলো বছরের পর বছর টানবে না সরকার, সেগুলো নিষ্পত্তিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা-জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পত্র-পত্রিকায় কী লিখল, তা দেখে কাজ করবেন না, ঘাবড়ে যাবেন না। বিবেক ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করে যাবেন। তবে খোঁজ নেবেন অভিযোগটি সত্য কি না। মাটি-মানুষের রাজনীতি করেই আজকের অবস্থানে এসেছে আওয়ামী লীগ সরকার।