প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০২৪ ২২:৫৭ পিএম
বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান। প্রবা ফটো
২০৪১ সালের মধ্যে আধুনিক, উন্নত, মেধাবী ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য সমুদ্র সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই উৎপাদন ও আহরণের উপায় খুঁজে বেরা। এর মাধ্যমে সমুদ্রের অপার সম্ভাবনা কাজে লাগানোর এবং জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করা।
বুধবার (৩ জুলাই) বিকালে রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ওশান প্রস্পারিটি-ক্যাটালাইজিং দ্য ব্লু ইকোনমি ইন বাংলাদেশ’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সাসটেইনেবল ব্লু প্রোডাকশন বিষয়ে ব্রেক আউট সেশনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুর রহমান বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে বিদেশি সাহায্য, অনুদান বা সহযোগিতার ওপর নির্ভর করে আমরা এগোতে পারব না। আমাদের নিজস্ব সম্পদকে সমৃদ্ধ করতে হবে। আমাদের অর্থনীতিকে একটা দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হবে। এটি করতে হলে আমাদের সামুদ্রিক অর্থনীতিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। সুনীল অর্থনীতির অপার সম্ভাবনার যে বিশাল সমুদ্রসীমা আমাদের রয়েছে সেটিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে আমাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব তো বটেই, আমাদের নিজস্ব অর্থনীতির ভিতও মজবুত করা সম্ভব হবে।
সমুদ্র সম্পদ উন্নয়নের নানাবিধ ক্ষেত্র রয়েছে উল্লেখ করে মৎস্য তিনি বলেন, সমুদ্র কেন্দ্রিক বাস্তবিক ও প্রায়োগিক কর্মপরিকল্পনা প্রনয়ণ করে সে অনুযায়ী কাজ করা হলে আমাদের অর্থনীতিতে তা অনেক বড় অবদান রাখতে পারবে। সামুদ্রিক মাছ আহরণের ক্ষেত্রে আমাদের কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। সমুদ্রে মাছের অবস্থান, গতিবিধি, মাছের স্টক– এসব বিষয় নিয়ে গবেষণা জোরদার করতে হবে। এ ছাড়া সমুদ্রে মাছের পরিমান বা অবস্থান জানার উদ্দেশ্যে জরিপ কাজ চালানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী চীন থেকে অনুসন্ধানী জাহাজ আনার প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছেন। এসব জাহাজ খুব শিগগিরই দেশে আসবে। এর ফলে সমুদ্রে মাছের অবস্থান, মাছের সংরক্ষণ এবং মৎস্য সম্পদকে কাজে লাগিয়ে আমাদের অর্থনীতি মজবুত করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য নাসের শাহরিয়ার জাহেদী, বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও গ্রামীণ প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (সচিব) আব্দুল বাকী, চীনের সাংহাই ওশান ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক চেনহং লি প্রমুখ।