× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সাংহাই: সমন্বিত নগর উন্নয়নের দৃষ্টান্ত

মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বাদল

প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে

 মোয়াজ্জেম হোসেন বাদল। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

মোয়াজ্জেম হোসেন বাদল। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

বিশ্ব অর্থনীতির মানচিত্রে এমন কিছু নগরীর নাম উচ্চারিত হয়, যেগুলো কেবল একটি দেশের উন্নয়নের প্রতীক নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও আধুনিক নগরায়ণের মানদণ্ড হিসেবেও বিবেচিত।

চীনের সাংহাই তেমনই একটি নগরী। এটি চীনের অর্থনীতির অন্যতম ‘স্তম্ভ’ বলে খ্যাত প্রাদেশিক-স্তরের একটি মিউনিসিপ্যালিটি, যা সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে পরিচালিত। গত চার দশকে সাংহাই যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গেছে, তা উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য দৃষ্টান্ত। এটি একদিকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আর্থিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র, অন্যদিকে আধুনিক নগরায়ণের মধ্যেও নদী, জলাভূমি, উদ্যান এবং ঐতিহ্যবাহী জলনগরীর সৌন্দর্য ধরে রেখেছে। যেন অর্থনৈতিক উত্থান, আধুনিক অবকাঠামো এবং বাণিজ্যিক জনপদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অনন্য এক সমন্বয়।

এটা আজ পরীক্ষিত সত্য যে, চীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী এবং দীর্ঘদিনের বন্ধুপ্রতিম দেশ। দেশ স্বাধীনের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমাগত শক্তিশালী হচ্ছে, যা আজ বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিশেষ করে গত এক দশকে উন্নয়ন ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য বিস্তৃতি ঘটেছে, যা উভয় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ চীন থেকে শিল্পের কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিক পণ্য, রাসায়নিক দ্রব্য এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম আমদানি করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ চীনে তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, সামুদ্রিক মাছ এবং কৃষিপণ্য রপ্তানি করছে। শুধু তাই নয়, চীনের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের সুযোগ রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। চীনের বিনিয়োগে বাংলাদেশে বহু বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যা দেশের উৎপাদন ও বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে গিয়েছিলেন। এই সফরে প্রধান প্রাপ্তিগুলোর মধ্যে তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে চীনের সহযোগিতার আশ্বাস, একাধিক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সমঝোতা এবং দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয় অগ্রাধিকার একই সঙ্গে অর্থনৈতিক অঞ্চল, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও উৎপাদন খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

আজকের লেখার উপজীব্য চীনের সাংহাই নগরী। এই শহরটিতে ব্যবসায়িক কারণে আমার একাধিকবার যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। সম্প্রতি সিপিএইচআই এক্সিবিশন উপলক্ষে এই শহরটিতে আবারও যাই। চার দিনের সফরের সে অভিজ্ঞতা আজ পাঠকদের সঙ্গে শেয়ার করছি। সাংহাইয়ের গল্প মূলত চীনের অর্থনৈতিক সংস্কার ও উন্মুক্তকরণের গল্প। ১৯৭৮ সালে দেং জিয়াওপিং অর্থনৈতিক সংস্কারের যে নীতি গ্রহণ করেন, তার সুফল সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান হয় সাংহাইয়ে। একসময়ের আঞ্চলিক বন্দরনগরী আজ বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শিল্প, প্রযুক্তি, আর্থিক সেবা এবং আধুনিক অবকাঠামোর সমন্বয়ে শহরটি চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে।

সাংহাই চীনের অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক, শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সমুদ্রবন্দর নগরী। অন্যদিকে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির একটি দেশ। সাংহাই ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক মূলত চীন-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিকশিত হয়েছে। সাংহাইয়ের উন্নত শিল্পভিত্তি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অবকাঠামো এবং বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে সংযোগ বাংলাদেশের জন্য নতুন বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

সাংহাইয়ের বন্দর বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার হওয়ায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা এই বন্দর ব্যবহার করে চীনের পাশাপাশি অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাজারেও পণ্য রপ্তানির সুযোগ পাচ্ছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা, ব্যবসায়িক ফোরাম এবং বিনিয়োগ সম্মেলনে বাংলাদেশ ও সাংহাইয়ের উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ দুই পক্ষের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করেছে। এছাড়া সাংহাইভিত্তিক চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং উৎপাদন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছে। এর ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং শিল্পায়নের সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও সাংহাইয়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা ধীরে ধীরে বিস্তৃত হচ্ছে।

শহরের যে দৃশ্যগুলো আমাকে মুগ্ধ করেছে- এখানকার স্টেশনগুলো অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য প্লাটফর্মে স্ক্রিন ডোর এবং প্রতিটি স্টেশনে প্রবেশপথে ব্যাগ স্ক্যানিং ও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। ভূগর্ভস্থ হওয়া সত্ত্বেও শক্তিশালী ভেন্টিলেশন ও এয়ার-কন্ডিশনিংয়ের কারণে স্টেশনগুলো বেশ আরামদায়ক। প্রতিটি সাইনবোর্ড ও ঘোষণা চীনা ও ইংরেজিÑ উভয় ভাষায় থাকায় বিদেশিদের জন্য যাতায়াত অনেক সহজ। সিসিটিভি নজরদারি, জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার পাশাপাশি নতুন স্টেশনগুলোতে উন্নত ড্রেনেজ ও জলরোধী দরজা যুক্ত করা হয়েছে। পুরনো কিছু স্টেশনে প্রতিবন্ধীদের জন্য লিফট বা সহায়তার কিছুটা অভাব থাকতে পারে। এছাড়া বড় ইন্টারচেঞ্জ স্টেশনগুলোতে এক লাইন থেকে অন্য লাইনে যাওয়ার পথ বেশ দীর্ঘ হয়। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ, নিরাপত্তা এবং পরিচ্ছন্নতার সমন্বয়ে সাংহাই মেট্রো স্টেশনগুলো বিশ্বমানের গণপরিবহন ব্যবস্থার এক উজ্জ্বল উদাহরণ। সাংহাই কেবল আকাশচুম্বী অট্টালিকার শহর নয়; ইয়াংজি নদীর বদ্বীপ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এখানে আধুনিকতা ও প্রকৃতির এক দারুণ মেলবন্ধন দেখা যায়।

‘ইয়ান আন ইস্ট রোড ইন্টারচেঞ্জ’-এর মতো বহুস্তর-বিশিষ্ট ফ্লাইওভারগুলো ওপর থেকে দেখলে জটিল কিন্তু চমৎকার জ্যামিতিক নকশার মতো দেখায়। রাতে সুউচ্চ ভবন ও আলোকোজ্জ্বল ফ্লাইওভারের সমন্বয়ে তৈরি দৃশ্য সাংহাইকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় নগরী হিসেবে উপস্থাপন করে। ফ্লাইওভারের মাঝের বিভাজক ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ এবং ফুলগাছ কংক্রিটের ভূমিতে যেন বনায়ন। ফ্লাইওভারের নিচে খালি জায়গাগুলো ফেলে না রেখে সেখানে বাগান, হাঁটার পথ ও ছোট ছোট পার্ক তৈরি করা হয়েছে, যা শব্দ ও ধুলোদূষণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

হুয়াংপু নদীর তীরবর্তী সড়ক ও সেতুগুলো থেকে নদী এবং শহরের স্কাইলাইনের যে অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়, তা পর্যটকদের জন্য অন্যতম আকর্ষণ। সাংহাই নগর পরিকল্পনায় পরিবহন অবকাঠামো ও সবুজায়নকে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে দেখা হয়। আধুনিক প্রকৌশল এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই সমন্বয়ই শহরটিকে কংক্রিটের জঙ্গলের মধ্যেও বাসযোগ্য ও নান্দনিক করে তুলেছে। এবারই প্রথম আমার সাংহাই এ মুষলধারে বৃষ্টি হতে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল। কিন্তু কোথাও জলাবদ্ধতা দেখিনি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রচলিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার পাশাপাশি স্পঞ্জ সিটি ধারণা গ্রহণ করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো বৃষ্টির পানি যত দ্রুত সম্ভব সরিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে তা ধরে রাখা, মাটিতে শোষণ করানো, পরিশোধন করা ও পুনঃব্যবহার করা। অর্থাৎ বৃষ্টির পানির কার্যকর পুনঃব্যবহার নিশ্চিত করা।

সাংহাইকে অনেকেই চীনের অর্থনৈতিক রাজধানী বলে অভিহিত করেন। শহরটি অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বহুমাত্রিক এবং গতিশীল। ব্যাংকিং, শেয়ারবাজার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জাহাজ পরিবহন, উৎপাদন শিল্প এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা খাত এখানে সমানভাবে বিকশিত হয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের বৃহত্তম কন্টেইনার বন্দরগুলোর একটি হলো পোর্ট অব সাংহাই। এই বন্দর শুধু চীনের নয়, সমগ্র বিশ্বের বাণিজ্য প্রবাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন হাজার হাজার কন্টেইনারবাহী জাহাজ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পণ্য পরিবহন করছে। ফলে সাংহাই আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উৎপাদন শিল্পেও সাংহাইয়ের অবস্থান সুদৃঢ়। অটোমোবাইল, ইলেকট্রনিক্স, জাহাজ নির্মাণ, বায়োটেকনোলজি এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি উৎপাদনে শহরটি চীনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। শিল্পায়নের পাশাপাশি প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতিও দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল ফাইন্যান্স এবং স্মার্ট সিটি প্রযুক্তিতে সাংহাই এখন এশিয়ার অন্যতম অগ্রগামী নগরী।

সাংহাইয়ের উন্নয়নের সবচেয়ে দৃশ্যমান দিক হলো নগরটির অত্যাধুনিক অবকাঠামো। পরিকল্পিত নগরায়ণ, আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর নগর ব্যবস্থাপনা শহরটিকে বিশ্বের উন্নত নগরীগুলোর কাতারে নিয়ে গেছে। বিশেষ করে পুডং এলাকার সুউচ্চ ভবনগুলো বিশ্বজুড়ে পরিচিত। কয়েক দশক আগেও যেখানে কৃষিজমি ছিল, সেখানে আজ গড়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক আর্থিক কেন্দ্র, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর এবং আধুনিক বাণিজ্যিক অঞ্চল।

শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ‘দ্য বুন্ড’ এই বাণিজ্যিক ঐতিহ্যের জীবন্ত সাক্ষী। নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক ভবনগুলো একদিকে ঔপনিবেশিক যুগের স্মৃতি বহন করে, অন্যদিকে বিপরীত তীরে দাঁড়িয়ে থাকা আধুনিক অট্টালিকাগুলো ভবিষ্যতের সাংহাইকে তুলে ধরে। পুরনো ও নতুনের এই সমন্বয় শহরটির স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলেছে। বাণিজ্যিক এলাকাগুলো শুধু ব্যবসার কেন্দ্র নয়; এগুলো পর্যটন, সংস্কৃতি এবং বিনোদনেরও কেন্দ্রবিন্দু। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, বিলাসবহুল বিপণিবিতান, আধুনিক রেস্তোরাঁ এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো সাংহাইকে একটি বৈশ্বিক মহানগরীর রূপ দিয়েছে।

সাংহাইয়ের উন্নয়নের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পরিকল্পিত নগরায়ণ, আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনা, গণপরিবহন উন্নয়ন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে সাংহাই বাংলাদেশের জন্য একটি কার্যকর মডেল হতে পারে। এর আদলে বাংলাদেশের বন্দরনগরী ও শিল্পাঞ্চলগুলো যদি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় উন্নয়ন করা যায়, তাহলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও ত্বরান্বিত হতে পারে। একই সঙ্গে উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিও সাংহাইয়ের কাছ থেকে শেখার মতো।

সাংহাই আজ শুধু একটি শহরের নাম নয়; এটি আধুনিক উন্নয়নের প্রতীক। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিশ্বমানের অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং পরিবেশবান্ধব নগরায়ণের সমন্বয়ে শহরটি বিশ্বের অন্যতম সফল মহানগরীতে পরিণত হয়েছে। 


লেখক: মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বাদল (কলাম লেখক ও শিল্পোদ্যোক্তা)

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা