প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:২১ পিএম
জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এর নববর্ষের আয়োজন
বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মূলধারায় পরিচালিত একটি সর্বজনীন সংগঠন 'জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র'। 'বাংলা নববর্ষ উৎসব ১৪৩৩' উদযাপন উপলক্ষ্যে আগামী ১লা বৈশাখ, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় দিনব্যাপী এক অনন্য সাধারণ ব্যতিক্রমধর্মী সাংস্কৃতিক কর্মসূচি আয়োজন করতে যাচ্ছে সংগঠনটি। এ আকর্ষণীয় অনবদ্য কর্মসূচি বাস্তবায়নে তাদের সঙ্গে আছে দেশের অন্যতম স্বনামধন্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান আকিজ ভেঞ্চার। বাংলাদেশ এবং বাঙালির প্রকৃত ইতিহাস ও গ্রাম-বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্যগুলোকে নতুন প্রজন্ম এবং বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার জন্যই তাদের এই যৌথ আন্তরিক প্রয়াস।
এই আয়োজনে যা যা থাকছে-
সকাল ১০টায় পুরানা পল্টনস্থ "মুক্তাঙ্গন" থেকে "বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি" পর্যন্ত "বাংলা নবযাত্রা ১৪৩৩" নামে সুসজ্জিত একটি বর্নাঢ্য রেলি প্রদর্শন করা হবে। এতে অংশ নিবে শ্রেণী পেশা নির্বিশেষে দেশপ্রেমিক ধর্মপ্রাণ ও সংস্কৃতিবান হাজারো মানুষ।
দুপুর ১২ টা থেকে রাজধানীর বিজয়নগর সড়ক প্রাঙ্গণে বাঙালি সমাজের বিপুল জননন্দিত অনুষঙ্গ ঐতিহ্যবাহী "মেজবান" আয়োজন করা হবে। যেখানে দিনব্যাপী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী এবং দর্শনার্থীদের জন্য শুভেচ্ছা মূল্যে সাদা চালের গরম ভাত, গরুর গোশত, দেশীয় শাকসবজি ও মিষ্টান্ন পরিবেশন করা হবে। এছাড়াও অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে থাকবে নানা রকম সুস্বাদু সুদর্শন দেশীয় ঐতিহ্যবাহী খাদ্যপণ্যের সম্ভার।
বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা রাত পর্যন্ত রাজধানীর বিজয়নগর সড়ক প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে এক অনবদ্য সাংস্কৃতিক উৎসব; যার নামকরণ করা হয়েছে "বাঙলা সাংস্কৃতিক উৎসব ১৪৩৩"।
এ আয়োজনের নান্দনিক বাঙালিয়ানা মঞ্চে বিশ্বাস ও ভক্তিমূলক, দেশাত্মবোধক, আদর্শ ঐতিহ্যের ধারক-বাহক সংগীত ও লোকগীতিসহ কবিতা আবৃত্তি ও নাটিকা পরিবেশন করা হবে। জ্ঞানগর্ভ আলোচনা ও বক্তৃতা উপস্থাপন করা হবে সংগঠনের ইতিহাস ঐতিহ্য সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয় প্রসঙ্গে।
এছাড়াও ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ সনের একটি "বাঙলা দিনপঞ্জিকা" প্রকাশ করা হবে; যা বাঙালি জীবন থেকে বিলুপ্তপ্রায় হতে চলেছে। আনন্দের বিষয় এই যে, জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র আমাদের সেই হারানো গৌরবকে পুনরুদ্ধারের সুচিন্তা ও বাস্তবিক প্রয়াস গ্রহণ করেছে।
জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র "আমাদের নববর্ষে- আমাদের সংস্কৃতি" প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে, সকল প্রকার বিজাতীয় সংস্কৃতি ও কুসংস্কারমুক্ত আবহে প্রতিবছর এই "দিনব্যাপী বাংলা নববর্ষ উৎসব" আয়োজনে দৃঢ় প্রত্যাশী।