প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৬ ১৪:২৪ পিএম
আপডেট : ১১ মার্চ ২০২৬ ১৪:৫৮ পিএম
বয়স হলে মানুষ চলে যায় এটাই জগতের স্বাভাবিক নিয়ম। এই নিয়মের মধ্যেও কিছু সম্পর্ক থাকে যা চাইলেও মানুষ ভুলতে চায় না। সেটা হচ্ছে বন্ধুত্বের সম্পর্ক। এই বার্তাকে আরও শাণিত করতে ১০ মার্চ, ২০২৬ (মঙ্গলবার) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ তম ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মিলে প্রয়াত বন্ধুদের স্মরণে দোয়া মাহফিল ও ইফতারের আয়োজন করেছিলেন। সময়ের সাথে সাথে বন্ধুদের হারিয়ে যাওয়া মুখগুলোকে তারা খুঁজে ফিরছিলেন পরিবারের সদস্যদের মাঝে।
এ আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন মোহাম্মদ আব্দুস সালাম (ভূগোল), এ কে এম মনজুর আলম (অর্থনীতি) ও নাসিরুল আলম পলাশ (অর্থনীতি)।

উদ্যোগটি সম্পর্কে মাসুদ কামাল (পদার্থবিজ্ঞান) বলেন, ‘ধন্যবাদ বন্ধুরা এরকম একটি সুন্দর আয়োজনের জন্যে। অংশগ্রহণকারী হিসেবে বন্ধুদের নগণ্য সংখ্যক সাড়া দেখে ভেবেছিলাম অনুষ্ঠানস্থলেও দেখব কম সংখ্যক উপস্থিতি। কিন্তু অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে মিলনায়তন ভর্তি উপস্থিতি দেখে খুবই ভালো লাগলো। উপস্থিতির ৯৫%ই ছিল প্রয়াত বন্ধুদের স্ত্রী, সন্তান, ভাই অন্যান্য আত্মীয় স্বজন। ঢাকা থেকে আমরা হাতে গোনা কয়েকজন গেলেও জাবি ক্যাম্পাস, সাভার, ধামরাইসহ আশেপাশের এলাকার বন্ধুদের প্রায় সবাই উপস্থিত ছিল। প্রয়াত বন্ধুদের আত্মীয়স্বজন যাদের গাড়ি নেই, তাদের জন্যে আয়োজকরা পরিবহণের ব্যবস্থা করেছে। ব্যাপারটি খুবই ভালো লাগলো। আয়োজক সালাম, মাসুদ, মঞ্জু, পলাশ, হারুন, সেলিম, সুপ্তি, কানন, জাকিয়া সহ অন্যান্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ। সমাজ কল্যাণ অনুষদের সুপরিসর মিলনায়তনটি ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়ার জন্যে বন্ধু সেলিমকে ধন্যবাদ। রোযার মাসে প্রয়াত বন্ধুদের স্মরণে এমন একটি আবেগময় অনুষ্ঠান করার জন্য আয়োজক বন্ধুদের অসংখ্য ধন্যবাদ।’

আয়োজনে প্রয়াত ব্যক্তিদের স্মরণে তাদের পরিবারের সদস্যরা কিছু কথা তুলে ধরেন। তাদের এসব কথায় অশ্রুসিক্ত হয় উপস্থিত সকলের। বন্ধুবর্গের বিদায়ে সবাই পুরনো স্মৃতি তুলে ধরেন, সাথে ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন করা হোক বলে সবাই আহ্বান জানান।
দোয়া মাহফিলের আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয় সোস্যাল সায়েন্স ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক লাউঞ্জে। সবার উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তুলেছিল, সবাই আন্তরিকতার সাথে বাকি পরিবারের সবাইকেই আপন করে নিয়েছিলেন।