প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৫ ২২:১২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
রমজান মাসে সঠিক খাদ্যাভ্যাস পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে সেহরিতে পুষ্টিকর ও ভারসাম্যপূর্ণ খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। সেহরির খাবার দিনের দীর্ঘ সময় শক্তি জোগাতে সাহায্য করে এবং শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করে।
সেহরিতে যেসব খাবার খাওয়া উচিত
জটিল কার্বোহাইড্রেট: দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি সরবরাহ করতে সাহায্য করে। যেমন— লাল চালের ভাত, ওটস, আটার রুটি, খেজুর, মুসুর বা ছোলার ডাল।
প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার: শরীরের পেশি সংরক্ষণে সাহায্য করে এবং দীর্ঘ সময় ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে। যেমন— ডিম, মুরগির মাংস, মাছ, দই, বাদাম, ছোলা।
ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার: হজমপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে। যেমন— শাকসবজি, ফলমূল (আপেল, কলা, কমলা), চিয়া সিড, ওটমিল।
পানি ও হাইড্রেটিং খাবার: সারা দিনে পানিশূন্যতা রোধে সাহায্য করে। প্রচুর পানি পান করা উচিত এবং পাশাপাশি শসা, তরমুজ, কমলা, ডাবের পানি খাওয়া যেতে পারে।
যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার: যেমন— পুরি, পরোটা, সমুচা, পাকোড়া। এগুলো হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং গ্যাসের সমস্যা বাড়াতে পারে।
অতিরিক্ত মিষ্টি ও চিনি: অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার যেমন— মিষ্টি, চকলেট, কার্বনেটেড ড্রিংকস দ্রুত শক্তি বাড়ালেও পরে দুর্বলতা সৃষ্টি করতে পারে।
ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়: যেমন— চা, কফি বা সফট ড্রিংকস, যা শরীর থেকে দ্রুত পানি বের করে দেয় এবং পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে।
সেহরিতে স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিলে রোজার সময় শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখা সহজ হয়। তাই পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করার বিষয়েও সচেতন থাকা জরুরি।