প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৩ ২০:২২ পিএম
আপডেট : ২৩ মে ২০২৩ ২০:৫৯ পিএম
ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ফাইল ছবি
গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা কর ফাঁকির মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ মে) এ শুনানি শেষে বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ আগামী ৩১ মে রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন। অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত ৯ মে বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ বলেন, জুনের ৭ তারিখের আগে এ কোর্ট কোনোভাবেই শুনানি করতে পারবেন না। ওই সময় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছিলেন, জুনের আগেই এ মামলার শুনানি শেষ করতে হবে। কারণ বাজেটে এটি রাজস্ব হিসেবে দেখাতে হবে। তবে ড. ইউনূসের আইনজীবীরা তখন বলেন, তারা শুনানির জন্য প্রস্তুত নন। ওই সময় অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন, যদি এ মাসে তারিখ না দেওয়া হয়, তবে তিনি প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করবেন। তখন আদালত এ মামলার দ্রুত শুনানি করতে পারবেন না, এমন বিবেচনায় কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন।
পরে অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, মামলার দ্রুত শুনানির জন্য তিনি হাইকোর্টের অন্য বেঞ্চে দ্রুতই নিষ্পত্তির আবেদন করবেন। পরে হাইকোর্টের অন্য বেঞ্চে শুনানি হয়।
এর আগে ৭ মে হাইকোর্টকে এনবিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০১২-১৭ এই পাঁচ বছরে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা কর ফাঁকি দিয়েছেন ড. ইউনূস। সরকারের পাওনা অর্থের মধ্যে একটি হলো, গ্রামীণ কল্যাণের ৫৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ৫৭ হাজার ৮২৩ টাকা, একই তহবিলের আরেকটিতে ৩৫৪ কোটি ৭৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫৪৭ টাকা এবং গ্রামীণ টেলিকমের একটিতে ২১৫ কোটি টাকা।
এরও আগে ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় সাড়ে ১১০০ কোটি টাকার আয়কর রিটার্নের মামলা চালুর জন্য হাইকোর্টে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত ও তার প্রতিষ্ঠিত ৯টি প্রতিষ্ঠানের করসংক্রান্ত তথ্য চেয়ে এনবিআরের কাছে চিঠি দিয়েছিল দুদক। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এনবিআরের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সংশ্লিষ্ট সার্কেল এবং জরিপ দপ্তরকে মৌখিক নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল।