মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রতিবেদন
বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ৫ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৪ ঘণ্টা আগে
অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজাওয়ানুর ইসলাম। ফাইল ছবি
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে করা মামলায় জামিন পেয়েছেন দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজাওয়ানুর ইসলাম।
বগুড়ার সদর আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান রবিবার দুপুরে তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তানজিম আল মেজবা বিষয়টি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বেলা ১২টার দিকে জামিন আবেদনের শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। এ সময় রেজাওয়ানুর ইসলাম কারাগারে ছিলেন।
এর আগে গত ১৮ জুন রাতে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল গাজীপুরের গাছা এলাকার বোর্ডবাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ ও মামলার নথি অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের জেরে গত ১৫ জুন বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও দ্য নিউ নেশন পত্রিকার উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিনিধি তানভীর আলম রিমন মামলা করেন।
মামলায় ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের সম্পাদক ও প্রকাশক মেহেদী হাসান, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজাওয়ানুর ইসলাম, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার, বগুড়া প্রতিনিধি মো. শামস এবং জেলা প্রতিনিধি সাব্বির হাসানকে আসামি করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্নের চেষ্টা করেছেন।
এদিকে শুক্রবার রাতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এক বিবৃতিতে জানান, তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে অপতথ্য প্রচার করা হচ্ছে। তার নাম ব্যবহার করে বা তার পক্ষে দাবি করে কেউ যেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোনো মামলা, বিবৃতি বা অন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন, কারণ এ ধরনের উদ্যোগে তার কোনো অনুমোদন বা নির্দেশনা নেই।
বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের চার সাংবাদিককে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান ও গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের দ্রুত মুক্তির আশা প্রকাশ করেন।
একইসঙ্গে তিনি বলেন, মামলার বাদীও যেহেতু একজন সাংবাদিক ও বগুড়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কোষাধ্যক্ষ, তাই এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক সমাজে যাতে কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা উত্তেজনা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সংযম ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।