প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬ ১৬:০৯ পিএম
আপডেট : ০৫ মে ২০২৬ ২০:১৩ পিএম
শরীফ ওসমান হাদি।ফাইল ফটো
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও পেছানো হয়েছে। এ নিয়ে ১৩তম বারের মতো পিছিয়ে আগামী ১৭ মে নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত মঙ্গলবার নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
এদিন মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর কাদির ভূঁঞা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তাই আদালত আগামী ১৭ মে নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে গত ৬ জানুয়ারি অভিযোগপত্র দেয় ডিবি পুলিশ। কিন্তু অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট নয় ইনকিলাব মঞ্চ।
গত ১২ জানুয়ারি মামলাটি শুনানির জন্য ছিল। মামলার বাদী আবদুল্লাহ আল জাবের সেদিন অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য দুই দিন সময় চান। আদালত তা মঞ্জুর করে ১৫ জানুয়ারি অভিযোগপত্র গ্রহণের দিন ঠিক করেন।
ওইদিন ডিবি পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে নারাজি দাখিল করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। পরে আদালত মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেয়।
তদন্তভার পাওয়ার পর মামলার প্রধান আসামি করিম মাসুদ ওরফে রাহুলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফয়সাল রুবেল আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুই দফায় ১২ দিনের রিমান্ড শেষে ‘স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি’ দেন তিনি। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ পড়ে নির্বাচনি প্রচারণা শেষ করেন ওসমান হাদি। এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে ওইদিন দুপুর ২টা ২০ মিনিটে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশা পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতিকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অপারেশন শেষে এভারকেয়ার পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।