সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৩৫ পিএম
সাংবাদিক সাগর-রুনি দম্পতি। ফাইল ফটো
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় মোট ১২৫ বারের মতো বাড়ানো হলো। প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম বুধবার প্রতিবেদন দাখিলের এই নতুন দিন ধার্য করেন। এদিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত থাকলেও তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তা জমা দিতে পারেনি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত পুনরায় সময় নির্ধারণ করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম রাসেল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই মামলার তদন্তভার প্রথমে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ, এরপর ডিবি এবং সবশেষে উচ্চ আদালতের নির্দেশে র্যাবের কাছে ছিল। তবে তদন্তে দীর্ঘসূত্রতার কারণে গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট র্যাবকে সরিয়ে দিয়ে অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে গঠিত চার সদস্যের টাস্কফোর্স বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে।
এই মামলায় বর্তমানে ৮ জন আসামি রয়েছেন। তারা হলেন— রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং সাগর-রুনির বন্ধু তানভীর রহমান খান। আসামিদের মধ্যে তানভীর জামিনে থাকলেও পলাশ রুদ্র পাল জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছেন। বাকি আসামিরা বর্তমানে কারাগারে আছেন।