দুর্নীতির মামলা
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২৬ ১৪:৫২ পিএম
আপডেট : ৩০ মার্চ ২০২৬ ১৫:৩৪ পিএম
অর্থপাচার ও দুর্নীতি মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের জামিন আবেদন খারিজ করেছেন আদালত।
জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলায় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত।
একই সঙ্গে তার ব্যাংক হিসাব অবমুক্ত এবং ক্রোককৃত সম্পত্তি ফেরতের আবেদনও খারিজ করা হয়েছে।
ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ সোমবার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
আরো পড়ুন: আতঙ্কের নাম জিয়াউল আহসান |
শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন, ফ্রিজ হওয়া ব্যাংক হিসাব অবমুক্তকরণ এবং সম্পত্তি অবমুক্তের আবেদন জানান। তবে শুনানি শেষে আদালত সব আবেদনই নামঞ্জুর করেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ৭ জানুয়ারি একই আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার হিসেবে দেখান।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান নিজের নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ প্রায় ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেন।
পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংক্রান্ত নির্দেশনা লঙ্ঘন করে তিনি ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার আমেরিকান ডলার জমা করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বিপুল অর্থ জমা করে তিনি স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহায়তায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে তা স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেন। এছাড়া নিজের নামে থাকা আটটি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, অর্থপাচার প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
গত বছরের ২৩ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন এই মামলাটি দায়ের করেন।