বাসস
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:১৮ পিএম
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৫১ পিএম
শরিফ ওসমান হাদি। ফাইল ছবি
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছে আদালত। মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করে।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল না করায় অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে ঢাকার পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ২০ ডিসেম্বর আদালতের নির্দেশে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজন করা হয়।
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন। তবে ডিবির দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে গত ১৫ জানুয়ারি আদালতে ‘নারাজি’ আবেদন করেন মামলার বাদী। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।
ডিবির দেওয়া চার্জশিটে মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং বাকি ৬ জন পলাতক।
পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— ‘শুটার’ ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তার সহযোগী আলমগীর হোসেন, মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলার ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফিলিপ স্মাল পিলিপস, মুক্তি আক্তার ও ফয়সালের বোন জেসমিন আক্তার।
অন্যদিকে, কারাগারে থাকা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা এবং শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু।