প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৪ ১২:২০ পিএম
আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০২৪ ১২:২৯ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগের মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল। ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলের পাঁচটি সামরিক ইউনিট মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন করেছে। তবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এসব ঘটনা ঘটেছে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগের মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল সোমবার (২৯ এপ্রিল) নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেন, পাঁচটির মধ্যে চারটি ইউনিট ইতোমধ্যে তাদের ভুল সংশোধনের কথা জানিয়েছে। পঞ্চমটির বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে ইসরায়েল সরকারের সঙ্গে আমাদের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তারা পঞ্চম ইউনিট নিয়ে আমাদের আরও তথ্য দিয়েছে।
এক সাংবাদিক প্যাটেলকে জিজ্ঞেস করেন, ইসরায়েলের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কি দ্বিচারিতা করছে? মানে অস্ত্র দেওয়া নিয়ে তাদের বিষয়ে বিশেষ আচরণ করছে?
উত্তরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগের এ মুখপাত্র বলেন, না, আমরা সব দেশের সঙ্গে একই নীতিমালার ভিত্তিতে আচরণ করি।
গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতসহ (আইসিজে) বিশ্বের নানা মানবাধিকার সংস্থা বলছে, গাজায় ইসরায়েলের আচরণ মানবাধিকার লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ছে। কোনো কোনো সংস্থা ইসরায়েলের আচরণ যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়ছে বলেও মন্তব্য করেছে।
এমন অভিযোগ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য মিত্ররা ইসরায়েলেকে অব্যাহতভাবে সামরিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদ দিয়ে গাজায় প্রতিদিন শত শত মানুষ মারছে ইসরায়েল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এ অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে।
এদিকে পশ্চিম তীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরায়েলের সামরিক ব্যাটালিয়ন নেটজা ইয়েহুদাকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
সূত্র : আনাদোলু