প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৪ ২২:১৪ পিএম
আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০২৪ ২২:২৩ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএর প্রধান উইলিয়াম বার্নস। ছবি : সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ইসরায়েলকে গাজায় গণহত্যা বন্ধে সব শক্তি কাজে লাগিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর চাপে পড়েছে মূলত যুক্তরাষ্ট্র। জরুরি মানবিক ত্রাণ সহায়তা গাজায় পৌঁছাতে যেভাবে বাধা দিচ্ছে এবং ত্রাণ নিতে লাইন ধরে দাঁড়ানো ফিলিস্তিনিদের যেভাবে বোমা হামলায় হত্যা করা হচ্ছে, গণহত্যার আইনের যেসব ধারা আছে, সেগুলো তার মধ্যে পড়ে। তারপরও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক, সামরিক ও নৈতিক সমর্থনে গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে যেতে পারছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দেশ। এখনোই ইসরায়েলকে থামাতে চায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। একদিকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে ভাবর্মূতি সংকট—দুই ইস্যু সামনে রেখে একটি সম্ভাব্য চুক্তির রূপরেখা চূড়ান্ত করতে মাঠে নেমে পড়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতাপশালী কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা-সিআইএর প্রধান উইলিয়াম বার্নস।
শুক্রবার এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন, মিসর ও কাতারের নেতাদের সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেন। তাদের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে যুদ্ধবিরতির চুক্তির রূপরেখা তৈরির জন্য সিআইএর প্রধান উইলিয়াম বার্নসকে ফ্রান্সের প্যারিসে পাঠাচ্ছেন বাইডেন।
ধারণা করা হচ্ছে, সিআইএর প্রধান দুই মাসব্যাপী একটি যুদ্ধবিরতির বিষয়ে চেষ্টা করছেন। তবে চুক্তির প্রধান শর্ত হবে হামাসের হাতে বন্দি ইসরায়েলি ও বিদেশি নাগরিকদের মুক্তি। একই সঙ্গে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ফিলিস্তিনিদের মুক্তি দিতে হবে। হাজারো ফিলিস্তিনিকে কয়েক মাস ধরে এবং ক্ষেত্রবিশেষে বছরের পর বছর ধরে কোনো অভিযোগ ছাড়াই গ্রেপ্তার করে রাখা হয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র সব বিষয় মাথায় রেখে এগোচ্ছে। যেকোনো পরিস্থিতিতে আবার যুদ্ধ হলে কী করণীয় হবে, তা-ও বিবেচনায় রয়েছে উইলিয়াম বার্নসের। ধুরন্ধর এই শীর্ষ গোয়েন্দার সঙ্গে হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য মাঠে নামতে যাচ্ছেন ব্রেট ম্যাকগার্ক, যিনি বাইডেনের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সমন্বয়কারী। সূত্র : আলজাজিরা।