প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২২ ১১:৪৮ এএম
আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২২ ১২:১৫ পিএম
তুরস্কের উত্তরাঞ্চলীয় বার্তিন প্রদেশে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের পর উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া উদ্ধারকর্মীরা। ছবি : সংগৃহীত
তুরস্কের উত্তরাঞ্চলীয় বার্তিন প্রদেশে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১-এ দাঁড়িয়েছে বলে জানান দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েব এরদোয়ান।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) বিকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর বেশ কয়েকজন শ্রমিক খনিতে আটকা পড়েন।
উদ্ধার অভিযান শেষে দেশটির প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন, শনিবার শেষ নিখোঁজ ব্যক্তিরও মৃতদেহ পাওয়া গেছে।
প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বলেন, ‘আমাদের অগ্রাধিকার ছিল নিখোঁজ খনিশ্রমিকদের খুঁজে বের করা। আমরা শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছি। তবে তিনিও মারা গেছেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১-এ পৌঁছেছে।’
তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমান সোইলু বলেন, নিজেদের কারণে বা উদ্ধারকারীদের সহায়তায় খনির ৫৮ জন শ্রমিক বিস্ফোরণ থেকে বেঁচে গেছেন। বিস্ফোরণের ফলে ২৮ জন আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।
দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ফাতিহ ডনমেজ বলেছেন, প্রাথমিকভাবে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বিস্ফোরণটি ফায়ারড্যাম্পের কারণে হয়েছে। এটি মিথেন গ্যাস, যা কয়লা খনিতে বিস্ফোরক মিশ্রণ তৈরি করে।
দুর্ঘটনার সময় ওই কয়লা খনিতে প্রায় ১১০ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। তাদের অর্ধেকই কাজ করছিলেন খনিটির প্রায় ৩০০ মিটার গভীরে।
এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজে খনির মধ্যে উদ্ধারকারীদের সঙ্গে কালো ও ঝাপসা অবস্থায় দেখা যায় শ্রমিকদের।
দেশটির প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এক টুইটবার্তায় লেখেন, এ দুর্ঘটনার তদন্ত করা হবে।
এর আগে তুরস্কের সবচেয়ে বড় খনি বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটে ২০১৪ সালে। সে সময় দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় সোমা শহরে একটি কয়লা খনিতে আগুনে নিহত হন ৩০১ জন।
প্রবা/এনএস/জেও