দিল্লির বন্যা
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৩ ০৯:০৮ এএম
আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২৩ ১১:১৮ এএম
নয়াদিল্লির বন্যার চিত্র। ছবি : সংগৃহীত
যমুনার পানির স্তর বুধবার (১২ জুলাই) রাতের বেলা আরও বাড়ায় ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির নতুন নতুন বাড়িঘর ও সড়ক প্লাবিত হয়েছে।
এ অবস্থায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে শহরটির কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) যমুনার পানির স্তর বিপদসীমার ৩ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার কেন্দ্রের কাছে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার এবং হরিয়ানা ব্যারাজ থেকে পানি নিঃসরণ বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করেছিল।
কিন্তু কেন্দ্র সরকার বলেছে, ব্যারাজ থেকে অতিরিক্ত পানি নিঃসরণ করতেই হবে।
হিমাচল প্রদেশে বর্ষা বড় আকারের ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে এসেছে এবং এর আরও উত্তরে খুব ভারী বৃষ্টির কারণে ব্যারাজটি ভরাট হয়ে গেছে।
দিল্লির সিভিল লাইনস এলাকার রিং রোড প্লাবিত হয়েছে। যে কারণে কাশ্মিরি গেট আইএসবিটির সঙ্গে মজনু কা টিলা সংযোগকারী সড়কটিও বন্ধ রয়েছে।
এ স্থানটি মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল এবং দিল্লি বিধানসভার বাসভবন থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে।
কেন্দ্রীয় পানি কমিশন বলেছে, হরিয়ানা ব্যারাজ থেকে পানির প্রবাহ দুপুর ২টার পর কমতে শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জনগণকে নিগমবোধ ঘাট শ্মশান ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ এটি বন্যা পরিস্থিতির দ্বারা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর মধ্যে একটি।
এদিকে ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের ১২টি দল উদ্ধারকাজে নেমেছে।
বন্যা পরিস্থিতির আলোকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে হাজার হাজার লোককে সরিয়ে নেওয়া এবং সেখানে যেকোনো ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
যমুনার জলস্তর এখন সর্বকালের সর্বোচ্চ সীমায় প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এ বর্ষায় দিল্লিতে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
সূত্র : এনডিটিভি