প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৩ ১১:৪৩ এএম
আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২৩ ১১:৪৯ এএম
জো বাইডেন। ছবি : সংগৃহীত
পূর্ব কেন্টাকির একটি সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র তার ঘোষিত শেষ রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ ধ্বংস করেছে। শুক্রবার এক ঘোষণায় এ ঘটনাকে একটি মাইলফলক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
এমন সময়ে এ ঘোষণাটি এলো যখন ইউক্রেনকে বিতর্কিত গুচ্ছ বোমা বা ক্লাস্টার বোমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন। রুশ আগ্রাসন প্রতিহত করতে সহায়তার অংশ হিসেবে কিয়েভকে এটি দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল বাইডেন প্রশাসন। যদিও এই অস্ত্রটি ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর দুই-তৃতীয়াংশই নিষিদ্ধ করেছে। কেননা, এটি বিপুলসংখ্যক বেসামরিক মানুষের হতাহতের কারণ হতে পারে।
হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, ‘৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ নির্মূল করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে।’
আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের অধীনে অবশিষ্ট রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন ১৯৯৭ সালে কার্যকর হয়। ১৯৩টি দেশ এতে সম্মত হয়।
কেন্টাকিতে ধ্বংস হওয়া যুদ্ধাস্ত্র হলো জিবি নার্ভ এজেন্টসহ ৫১ হাজার এম৫৫ রকেটের মধ্যে শেষ একটি মারাত্মক টক্সিন। ১৯৪০ সাল থেকে ডিপোতে সংরক্ষণ করা এই টক্সিন সারিন নামেও পরিচিত।
সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধাস্ত্র ধ্বংস করার মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রে এ ধরনের অস্ত্র গ্রহণযোগ্য না করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে জোর দিচ্ছে। এর মাধ্যমে এ সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি এমন কয়েকটি দেশকেও একটি বার্তা পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন।
সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে