প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৩ ১৫:৪৩ পিএম
আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২৩ ১৬:০১ পিএম
কৃষ্ণ সাগরে শস্যবাহী একটি জাহাজ। ছবি : সংগৃহীত
গত বছর করা কৃষ্ণ সাগরের শস্য চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর কোনো কারণ দেখছে না রাশিয়া। মঙ্গলবার (৪ জুলাই) রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, চুক্তির মেয়াদ ১৭ জুলাই শেষ হবে। তার আগেই বর্তমান চুক্তির অন্তর্ভুক্ত সব জাহাজ যাতে কৃষ্ণ সাগর ছেড়ে যেতে পারে সেই চেষ্টা করছে মস্কো।
অন্যদিকে নিজেদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে না নেওয়ায় পশ্চিমা দেশগুলোরও সমালোচনা করেছে মস্কো।
মস্কোর দাবি, শস্য চুক্তি করে রাশিয়া বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হয়নি। বরং কৃষ্ণ সাগরে নির্মিত টগলিয়াত্তি-ওডেসা পাইপলাইনটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়া। এতে করে বিশ্বজুড়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বিপাকে পড়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বেশ কিছু দেশ।
পরিস্থিতির উন্নয়নে গত বছরের জুলাইয়ে জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় কৃষ্ণ সাগর দিয়ে শস্য রপ্তানির একটি চুক্তি করে রাশিয়া-ইউক্রেন। কয়েক দফায় তা নবায়ন করা হয়। সর্বশেষ চুক্তির মেয়াদ ১৭ জুলাই শেষ হবে।
মস্কোর অভিযোগ, রাশিয়া ও ইউক্রেনের শস্যনির্ভর দরিদ্র দেশগুলো যেন উপকৃত হয়, তাই ছিল চুক্তির উদ্দেশ্য। কিন্তু দেখা গেল, দরিদ্র দেশগুলোর উপকারের পরিবর্তে চুক্তিটা সার্বিকভাবে ইউক্রেনের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী আফ্রিকা, এশিয়া ও লাতিন আমেরিকায় না করে ইউরোপে শস্য রপ্তানি করছে ইউক্রেন। ফলে চুক্তিটির মেয়াদ বাড়ানোর কোনো ভিত্তি নেই বলে মনে করে রাশিয়া।
সূত্র : আনাদোলু নিউজ এজেন্সি