× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ইরানের যেখানে ব্যর্থ যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক অস্ত্র

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৩ ১৩:৩২ পিএম

আপডেট : ২৩ মে ২০২৩ ১৭:৪৬ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের প্ল্যানেট ল্যাবস পিবিসির স্যাটেলাইটে ধারণ করা ইরানের জাগ্রোস পর্বতমালায় নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রের টানেল তৈরির দৃশ্য। ১৪ এপ্রিল তোলা। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্ল্যানেট ল্যাবস পিবিসির স্যাটেলাইটে ধারণ করা ইরানের জাগ্রোস পর্বতমালায় নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রের টানেল তৈরির দৃশ্য। ১৪ এপ্রিল তোলা। ছবি : সংগৃহীত

ইরান মাটির নিচে পারমাণবিক স্থাপনা ও ড্রোন স্টেশন করছে, এ খবর পুরোনো। কিন্তু জাগ্রোস পর্বতমালায় দেশটি এত গভীরে এমন একটি পারমাণবিক স্থাপনা তৈরি করছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির অস্ত্রও আঘাত হানতে ব্যর্থ হবে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) সোমবারের (২২ মে) এক প্রতিবেদনের বরাতে আল-জাজিরা এসব তথ্য জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্ল্যানেট ল্যাবস পিবিসি স্যাটেলাইটের সাম্প্রতিক কিছু ইমেজ বিশ্লেষণ করে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে এপি। 

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রায়ত্ত স্যাটেলাইট প্ল্যানেট ল্যাবস প্রতিদিন সারা বিশ্বের ভূ-পৃষ্ঠের ইমেজ সংগ্রহ করে। এটা কতটা আইনসঙ্গত তা নিয়ে এখন পর্যন্ত কেউ প্রশ্ন তুলেছেন কি না, তা জানা যায়নি।  

এপির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের মধ্যাঞ্চলের ইস্পাহান প্রদেশে দেশটির বৃহত্তম পারমাণবিক কেন্দ্র অবস্থিত। নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রটির পাশে গভীর টানেল খনন করছে ইরান। এতে প্রাথমিকভাবে পারমাণবিক বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও বিভিন্ন উপাদান রাখা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।  

ইরানের টানেল প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আর্মস কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক কেলসি ডেভেনপোর্ট বলেন, ’এটা ঘুম কেড়ে নেওয়ার মতো খবর। এটা নতুন ধরনের উত্তেজনা তৈরি করবে। কারণ আমার ধারণা ইরান ইতোমধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। এটা সত্যি হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কী করবে, সেটা দেখার বিষয়।’ 

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রসহ ছয় বিশ্ব শক্তির সঙ্গে জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) করে ইরান, যা সংক্ষেপে ইরান পরমাণু চুক্তি নামে পরিচিতি। এই চুক্তির অধীনে ইরানের ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয় যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। বিনিময়ে আন্তর্জাতিক পরমাণু জ্বালানি সংস্থাকে (আইএইএকে) নিজেদের পারমাণবিক কার্যক্রম তদারকির অনুমতি দেয় তেহরান। 

কিন্তু ক্ষমতায় এসে ২০১৫ সালে পরমাণু চুক্তি থেকে একতরফা বেরিয়ে যায় তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। বাইডেন ক্ষমতায় এসে তা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য তেহরানের সঙ্গে অনেকগুলো অপ্রত্যক্ষ আলোচনায় অংশ নেয় ওয়াশিংটন। চুক্তি পুনরুজ্জীবিত হবে হবে করেও শেষ পর্যন্ত হয়নি। 

এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের অভিযোগ, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধি বাড়িয়েছে। দেশটি বর্তমানে এমন উন্নত ইউরেনিয়ামের মালিক, যা দিয়ে চাইলেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা যাবে। কিন্তু এ ধরনের অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে তেহরান। উল্টো তারা এখনও চুক্তিতে ফিরতে চায় বলে জানিয়েছে। 

সূত্র : আল-জাজিরা

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা