প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৩ ০৮:৩০ এএম
আপডেট : ২০ মে ২০২৩ ১১:৩৫ এএম
সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বাশার আল আসাদ। ছবি : সংগৃহীত
এক দশকেরও বেশি সময় পর যুদ্ধবিধ্বস্ত
দেশ সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে আরব লীগে স্বাগত জানানো হয়েছে। সিরিয়ায় ২০১১
সালে গৃহযুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো আরব দেশের এই জোটের সম্মেলনে যোগ দিলেন তিনি।
সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় চলছে আরব লীগের ৩২তম শীর্ষ সম্মেলন।
আরব লীগের শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানকে ঐতিহাসিক
সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন বাশার আল আসাদ। সম্মেলনে উপস্থিত নেতাদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি যে এটি (সিরিয়ার আরব লীগে পুনরায় যোগদান) আমাদের মধ্যে
সংহতি, আমাদের অঞ্চলে শান্তি, যুদ্ধ ও ধ্বংসের পরিবর্তে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য আরব
পদক্ষেপের একটি নতুন পর্বের সূচনা করবে।’
বাশার আল আসাদের মতে, সিরিয়া সব সময় আরব
বিশ্বের অন্তর্ভুক্ত। তবে আরব রাষ্ট্রগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করারও আহ্বান
জানিয়েছেন তিনি। আসাদ বলেন, ‘দেশের জনগণের কাছে অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো ছেড়ে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ জনগণই তাদের নিজস্ব বিষয়গুলো পরিচালনা করতে সবচেয়ে বেশি সক্ষম।’
এ ছাড়া রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ও তুর্কি
বাহিনী নিয়েও কথা বলেছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট। এরদোয়ান সিরিয়ার বিদ্রোহীদের সমর্থন
করেছেন এবং তুর্কি বাহিনীকে উত্তর সিরিয়ার বিভিন্ন অংশে মোতায়েন করেছেন। আসাদ তুরস্কের
এই অবস্থানকে সম্প্রসারণবাহী অটোমান চিন্তার প্রভাব ও বিপদ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। এমনকি
এটিকে মুসলিম ব্রাদারহুড দ্বারা প্রভাবিত হিসেবেও উল্লেখ করেছেন। মুসলিম ব্রাদারহুড
এমন একটি দল, যা সিরিয়া ও অন্যান্য আরব দেশের শাসকগোষ্ঠীকে শত্রু হিসেবে মনে করে।
তবে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট এমন সময় রিয়াদে আরব লীগের সম্মেলনে যোগ দিলেন, যখন বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত উত্তর পশ্চিম সিরিয়ায় তার সম্মেলনে যোগ দেওয়ার প্রতিবাদে শত শত মানুষ বিক্ষোভ করেছে। এ সময় বিক্ষুব্ধরা ‘জনগণ (আসাদের) শাসনের পতন চায়’ বলে স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় ‘অপরাধী আসাদ সিরিয়ার প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না’ লেখা ব্যানারও দেখা যায়।
সূত্র : আলজাজিরা