প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৩ ১৭:৫৭ পিএম
আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০২৩ ১৮:১২ পিএম
দক্ষিণ কোরিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী চোই ইয়ংসাম। ছবি : সংগৃহীত
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ হবে, এমনটিই কামনা করে দক্ষিণ কোরিয়া। এটি করার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা গভীর করতে চায় দেশটি। কারণ বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ মনে করে সিউল।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে ওয়ার্ল্ড জার্নালিস্ট কনফারেন্স ২০২৩-এর এক ফাঁকে বাংলাদেশের বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ইউএনবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী চোই ইয়ংসাম।
মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) ইউএনবিকে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে চোই ইয়ংসাম বলেন, ’ইন্দো-প্যাসিফিক নিয়ে আমাদের সুনির্দিষ্ট কৌশল রয়েছে। এটি বাস্তবায়ন করার জন্য বাংলাদেশ আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও গণতন্ত্রসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা একই ধরনের মনোভাব পোষণ করি। তাই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের গভীর চিন্তা-ভাবনা রয়েছে।’
মন্ত্রী বলেন, ’বাংলাদেশের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার অংশীদারত্ব ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বহু বছরের এবং দুই দেশের মধ্যকার সহযোগিতাপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিও বেশ দৃঢ়।
দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের পঞ্চম বৃহত্তম বিনিয়োগকারী দেশ। সাউথ কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, ২০২২ সালে সিউল ও ঢাকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৩০০ কোটি ডলারের ওপর, যা ২০২১ সালের তুলনায় প্রায় ৩৯ শতাংশ বেশি। ২০২১ সালে উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ছিল ২১৮ কোটি ডলারের মতো।
বাংলাদেশের অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, ইলেকট্রনিকস-সামগ্রী, ভোগ্যপণ্যসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ রয়েছে প্রায় ২০০ দক্ষিণ কোরীয় কোম্পানির।
সামনের বছরগুলোতে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন চোই ইয়ংসাম।
সূত্র : ইউএনবি