করাচি পুলিশপ্রধানের কার্যালয় মুক্ত
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২১:৫৪ পিএম
আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০৮:৩৪ এএম
করাচি পুলিশ প্রধানের অফিসের বাইরে পুলিশ সদস্যদের সতর্ক অবস্থান। ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের করাচি পুলিশপ্রধানের কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় এক পুলিশ সদস্যসহ দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া গোলাগুলির ঘটনায় তিন হামলাকারী নিহত হয়। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডন শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টায় এ তথ্য জানিয়েছে।
সিন্ধু সরকারের মুখপাত্র মুর্তজা ওয়াহাব এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘আমি এখন নিশ্চিত করতে পারি যে, করাচি পুলিশপ্রধানের কার্যালয়টি মুক্ত করা হয়েছে। গোলাগুলির ঘটনায় তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।’
পাকিস্তানের আরেক সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলতে গিয়ে মুর্তজা ওয়াহাব বলেন, ভবনটি এখন সুরক্ষিত আছে। বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল সেখানে তল্লাশি চালাচ্ছে কোনো বিস্ফোরক রয়েছে কি না।
নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) হামলার দায় স্বীকার করেছে।
এদিকে পুলিশ সার্জন ডা. সুমাইয়া সৈয়দ জানান, পুলিশ সদস্যসহ দুটি মরদেহ জিন্নাহ পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিকেল সেন্টারে (জেপিএমসি) আনা হয়েছে। নিহতদের একজনকে পুলিশ কনস্টেবল গোলাম আব্বাস বলে জানান তিনি। এধি ফাউন্ডেশনের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, দ্বিতীয় ব্যক্তির নাম আজমল মসিহ।
ডা. সৈয়দ জানান, ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত আহতরা হলেন, পুলিশ সদস্য লতিফ, রেঞ্জার্স অফিসার আব্দুল রহিম ও ইডি কর্মী সাজিদ।
সিন্দু রেঞ্জার্সের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ৮ থেকে ১০ জন বন্দুকধারী সন্ত্রাসী এই হামলায় জড়িত।
ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলি শাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সংশ্লিষ্ট ডিআইজিদের তাদের জোন থেকে পুলিশ সদস্যদের সেখানে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মুরাদ আলি শাহ বলেছেন, 'পুলিশ প্রধানের অফিসে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি চাই অতিরিক্ত আইজি অফিসে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা হোক।'
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছ থেকে একটি প্রতিবেদনও চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এবং জানিয়েছেন যে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
এদিকে, এক বিবৃতিতে হামলার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছে সদর থানা পুলিশও। এসএইচও,পিআই খালিদ হুসেন মেমন জানিয়েছেন, করাচি পুলিশ অফিসের কাছে সদর থানায় হামলা চালিয়েছে অজ্ঞাতরা।
সিন্ধুর তথ্যমন্ত্রী শারজিল মেমন জিও নিউজকে বলেছেন, 'পুলিশ ও রেঞ্জার্সের অতিরিক্ত সেনাদল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।'
সূত্র: দ্য ডন ও জিও নিউজ