প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৪:৪২ পিএম
আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৪:৪৫ পিএম
কাহরামানমারস শহরে ধ্বংসস্তূপ থেকে এক কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
সমস্ত প্রতিকূলতার মধ্যে তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্প বিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে এখনও বেঁচে থাকার অসাধারণ গল্প রয়েছে। গতকাল শুক্রবার শেষ রাতে তুরস্কের কাহরামানমারস শহরে ধ্বংসস্তূপ থেকে এক কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ব্রিটিশ ও জার্মান উদ্ধারকারীরা ১৫ বছর বয়সি এক মেয়েকে খুঁজে বের করেন। এরপর নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে।
ভূমিকম্পের ষষ্ঠদিনে এসে এ ধরনের খবর খুব কমই আসছে। এখন যতই সময় গড়াচ্ছে, ততই দীর্ঘ হচ্ছে মৃতদেহের সারি।
ইতিমধ্যে তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা ২৪ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে তুরস্কে ২০ হাজার ৬৬৫ জনের ওপরে। আর সিরিয়ায় ৩ হাজার ৫০০ জনের বেশি মৃত্যু হয়েছে।
এখন উদ্ধারকর্মীরা জীবিত থাকাদের আশ্রয় ও খাবারের জোগানের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন।
জাতিসংঘ ইতিমধ্যে সতর্ক করেছে যে, তুরস্ক ও সিরিয়ায় ৮ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষের জরুরি ভিত্তিতে গরম খাবারের প্রয়োজন।
কেবল সিরিয়াতেই ৫৩ লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিরিয়ার বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোতে মাত্র দুটি সহায়তা সংস্থা পৌঁছাতে পেরেছে।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রধান বিবিসিকে বলেছেন, সবার কাছে সাহায্য পৌঁছানোর জন্য সিরিয়ায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি শেষরাতে তুরস্কের গাজিয়ানতেপে সৃষ্ট ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ১০টি প্রদেশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী সিরিয়াও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আলেপ্পো ও বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ইদলিব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সূত্র: বিবিসি