কোয়েটায় বোমা বিস্ফোরণের পর আগুনে পুড়ে যাওয়া ট্রেনের বগি। ছবি: এএফপি
পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটায় বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫০ জনের বেশি মানুষ।
আরও পড়ুন: বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ |
বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) রবিবারের এই হামলার দায় স্বীকার করেছে ।
সংগঠনটি জানিয়েছে, কোয়েটা শহরের মধ্য দিয়ে একটি ট্রেন অতিক্রম করার সময় এই হামলা চালানো হয়। এতে ট্রেনের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে উল্টে যায় এবং আগুন ধরে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক কামাল হায়দার জানান, বিস্ফোরকটি সম্ভবত কাছাকাছি একটি গাড়ি পার্কিং এলাকায় পেতে রাখা হয়েছিল।
বিস্ফোরণের তীব্রতায় রেললাইনের পাশের বহু বাড়িঘর ও ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের পর কোয়েটার সরকারি হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। এবং চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্বে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, আগুনে পুড়ে যাওয়া গাড়ি ও ট্রেনের বগি উল্টে পড়ে আছে।
কামাল হায়দার আরও জানান, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর হামলার ঘটনা বেড়েছে। এসব হামলা আগের তুলনায় আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। বিশেষ করে বেলুচিস্তানে চীনের অবকাঠামো প্রকল্পের বিরোধিতার কারণে সেখানে কর্মরত চীনা নাগরিকদেরও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের আওতায় চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলকে পাকিস্তানের গওয়াদার বন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।
পাকিস্তানের কোয়েটায় ভয়াবহ বোমা হামলা, নিহত ২০ জনের বেশি
পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটায় ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫০ জনের বেশি মানুষ। হামলার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী।
রবিবারের এ হামলার দায় স্বীকার করেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি। সংগঠনটির দাবি, কোয়েটা শহরের মধ্য দিয়ে একটি ট্রেন যাওয়ার সময় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে ট্রেনের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে উল্টে যায় এবং আগুন ধরে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক কামাল হায়দার জানান, বিস্ফোরকটি সম্ভবত কাছাকাছি একটি গাড়ি পার্কিং এলাকায় পেতে রাখা হয়েছিল। বিস্ফোরণের তীব্রতায় রেললাইনের পাশের বহু বাড়িঘর ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের পর কোয়েটার সরকারি হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে আগুনে পুড়ে যাওয়া গাড়ি এবং উল্টে থাকা ট্রেনের বগি দেখা গেছে। ঘটনাস্থলে ধোঁয়া ও আগুনের ভয়াবহ দৃশ্য স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে তোলে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে বেলুচিস্তানে চীনের অবকাঠামো প্রকল্পের বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে সেখানে কর্মরত চীনা নাগরিকদেরও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের আওতায় চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলকে পাকিস্তানের গওয়াদার বন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই প্রকল্প ঘিরেই দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা ও সহিংসতা চলমান রয়েছে।