প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬ ২৩:৪৩ পিএম
আপডেট : ২৪ মে ২০২৬ ০১:৫১ এএম
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে বলেছেন, “তাইওয়ানের স্বাধীনতা” বলতে বোঝায় দ্বীপটি বেইজিংয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন নয় এবং তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার শুধুমাত্র দেশটির জনগণের। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর তাইওয়ানে মার্কিন সমর্থন নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার প্রেক্ষাপটেই তিনি এ মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বৈঠকের পর বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে স্বাধীনতার পথে উৎসাহ দিচ্ছে না এবং ওয়াশিংটনের সমর্থনের ওপর নির্ভর করে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত হবে না।
চীন দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে। বেইজিং স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তাইওয়ান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করলে প্রয়োজন হলে শক্তি প্রয়োগ করতেও তারা পিছপা হবে না। যদিও তাইওয়ানে নিজস্ব গণতান্ত্রিক সরকার বিদ্যমান।
তাইপেতে দেওয়া বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট লাই বলেন, ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির (ডিপিপি) ১৯৯৯ সালের প্রস্তাবে তাইওয়ানকে “রিপাবলিক অব চায়না” নামে একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তাইওয়ানের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখতে হবে এবং দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে সেখানকার জনগণই।
লাই আরও বলেন, “তাইওয়ানের স্বাধীনতা” অর্থ হলো তাইওয়ান গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের অংশ নয় এবং রিপাবলিক অব চায়না ও গণপ্রজাতন্ত্রী চীন একে অপরের অধীনস্থ নয়। গত ৭০ থেকে ৮০ বছরে রিপাবলিক অব চায়না ও তাইওয়ানের একীভূত পরিচয় গড়ে উঠেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে নামেই ডাকা হোক না কেন, এটি মূলত তাইওয়ান ও আশপাশের দ্বীপপুঞ্জে বসবাসরত ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে।