আনাদোলু
প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ২১:১৪ পিএম
আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ২১:৫৬ পিএম
তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার পর ২০২৬ সালের ৭ এপ্রিল নিজের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির জানালা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখছেন এক ইরানি নাগরিক। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই হামলায় রফি-নিয়া সিনাগগ (ইহুদি উপাসনালয়) এবং পার্শ্ববর্তী আবাসিক ভবনগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। ছবি: আল জাজিরা/এএফপি
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় সহায়তার অভিযোগে সৌদি আরবসহ পাঁচটি আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে তেহরান। দেশগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা তাদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে আন্তর্জাতিক আইন ও বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করেছে।
সংবাদ সংস্থা ‘আনাদোলু’ মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি গত সোমবার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট জামাল ফারেস আলরুয়াইয়ের কাছে এ সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে তিনি দাবি করেন—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), বাহরাইন, কাতার এবং জর্ডান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলাকে সক্ষম বা সহজতর করে তুলেছিল, যা তাদের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের পরিপন্থী।
ইরাভানি বলেন, ওই দেশগুলোকে অবশ্যই এই ঘটনার জন্য দায়বদ্ধ হতে হবে এবং যুদ্ধের ফলে ইরানের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। ওই হামলায় হাজার হাজার মানুষ হতাহত হন। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েল, ইরাক, জর্ডান এবং যেসব উপসাগরীয় দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেখানে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। গত সপ্তাহে দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মাধ্যমে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার আগে এই পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত ছিল।
এদিকে, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি দলের মধ্যে ২১ ঘণ্টা ব্যাপী দীর্ঘ আলোচনা কোনো সমঝোতা বা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে।