আল জাজিরা
প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬ ২২:২৬ পিএম
লেবাননে ইসরায়েলের হামলা। ছবি: ডয়েছে ভেলে
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর দক্ষিণ লেবাননে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে ইসরায়েল। বিশেষ করে লিতানি নদীর উত্তর থেকে জহরানি নদীর মধ্যবর্তী এলাকাগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের অভিযান কেন্দ্রীভূত করেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা রবিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের খিয়াম ও নাবাতিয়াহর পাশাপাশি টায়ার এবং কানাতেও প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। তবে বর্তমানে যুদ্ধের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে সীমান্ত সংলগ্ন পাহাড়ি শহর ‘বিনত জাবিল’। কৌশলগত অবস্থান এবং প্রতীকী তাৎপর্যের কারণে এই শহরটি দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
বিনত জাবিলের ঐতিহাসিক ও গুরুত্ব
উভয় পক্ষের কাছেই বিনত জাবিল শহরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০০ সালে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পর হিজবুল্লাহর তৎকালীন প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ এই শহরের একটি স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে তার ঐতিহাসিক ‘বিজয় ভাষণ’ দিয়েছিলেন। ২০০৬ সালের যুদ্ধে এই শহরেই হিজবুল্লাহর সুড়ঙ্গ জালে আটকা পড়ে ইসরায়েলি সেনারা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছিল।
লেবানিজ নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনারা ইতোমধ্যে বিনত জাবিল শহরের সবকটি প্রবেশপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। ভৌগোলিকভাবে শহরটি একটি উঁচু মালভূমিতে অবস্থিত হওয়ায় এটি দখল করতে পারলে ইসরায়েল বড় ধরনের কৌশলগত সুবিধা পাবে। এছাড়া শহরটি হিজবুল্লাহর একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘লজিস্টিক হাব’ বা রসদ সরবরাহ কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত।