প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:০৬ পিএম
আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৫০ এএম
ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার সময় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের সাথে সাক্ষাৎ করছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। কোলাজ- প্রতিদিনের বাংলাদেশ / ছবি: আল জাজিরা
ইসলামাবাদে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪০ দিনের সংঘাতের পর এই বৈঠক বিশ্ববাজারের অস্থিরতা কমিয়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পাকিস্তানের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন মন্ত্রী আহসান ইকবাল আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই আলোচনার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছাবে।
ইকবাল আল জাজিরাকে বলেন, “উভয় পক্ষ যে এত দূর ভ্রমণ করে এখানে এসেছে, বিশেষ করে মার্কিন উপরাষ্ট্রপতির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল, এটাই উভয় পক্ষের আন্তরিকতা প্রকাশ করে।
“যদি আমরা আলোচনায় একটি সমাধান খুঁজে পাই, তবে সেটাই হবে সবচেয়ে ভালো কিছু। তবে উভয় পক্ষ যদি যুদ্ধবিরতি আরও বাড়াতে চায় কিংবা আরও এক দফা আলোচনায় বসতে রাজি হয়, সেটাও আমার জন্য একটি সাফল্য হবে বলে মনেকরি।”
ইকবাল আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্ব ও যুদ্ধের কারণে সমগ্র বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তাই এই আলোচনা শুধু তাদের দেশগুলোর বিষয় নয়, এটা বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যৎ।