প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৩০ এএম
আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৩৬ এএম
দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয় দেওয়া একটি স্কুলে ইসরায়েলের হামলার পর ধ্বংসস্তূপের পাশ দিয়ে এক ফিলিস্তিনি ব্যক্তি একটি শিশুকে কোলে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। ঘটনাটি ঘটে ২০২৪ সালের ২৭ জুন। ছবি: রয়টার্স
গাজায় যুদ্ধবিরতির কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রবেশে বাধা অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
লন্ডনভিত্তিক সহায়তা সংস্থা মেডিক্যাল এইড ফর প্যালেস্টাইনস (এমএপি) -এর বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলের অবরোধের কারণে গাজার স্বাস্থ্যখাত চরম সংকটে পড়েছে।
সংস্থাটির মতে, হাসপাতালগুলো সীমিত সরঞ্জাম নিয়ে কার্যক্রম চালাতে বাধ্য হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ওষুধের অর্ধেকের বেশি এরই মধ্যে শেষ হয়ে গেছে।
বিশেষ করে ক্যানসারের প্রায় ৬৪ শতাংশ ওষুধের সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। এতে রোগীদের চিকিৎসা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এমএপি আরও জানায়, গাজার প্রায় অর্ধেক হাসপাতাল এখনও পূর্ণাঙ্গভাবে সেবা দিতে পারছে না। কোনো হাসপাতালই পুরোপুরি কার্যকর অবস্থায় নেই।
জ্বালানি ও খুচরা যন্ত্রাংশের অভাবে প্রায় ৯০টি হাসপাতালের জেনারেটর অচল হয়ে পড়েছে। ফলে জরুরি সেবা চালু রাখা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে গুরুতর অসুস্থ ১৮ হাজার ৫০০-এর বেশি রোগীর জরুরি চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর প্রয়োজন। এদের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার শিশু রয়েছে।
তবে সীমাবদ্ধতার কারণে এসব রোগীকে অন্যত্র স্থানান্তর করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে।