প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২৬ ১১:০৪ এএম
দিমোনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাস্থলে কাজ করছেন ইসরায়েলি সেনারা, ২১ মার্চ, ২০২৬। ছবি: রয়টার্স
ইসরায়েলের আরাদ ও দিমোনা শহরে রবিবার ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দেশটিতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই হামলার ঘটনায় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।
ইসরায়েলের কর্তৃপক্ষের মতে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যতই উন্নত হোক না কেন, কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতেই পারে।
ইসরায়েল বহু বছর ধরে একটি বহুপদক্ষেপবিশিষ্ট অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে, যা প্রযুক্তিগতভাবে অত্যাধুনিক বলেও জানান তারা
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দাবি করেন, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের সাফল্যের হার ৯০ শতাংশেরও বেশি।
তবে তারা স্বীকার করেছে দিমোনার মতো সংবেদনশীল এলাকায়—যেখানে গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা রয়েছে—ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় তা বিশেষভাবে বিব্রতকর হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই হামলার পর ইরানের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হচ্ছে, এটি ভবিষ্যতে যা ঘটতে পারে তার একটি পূর্বাভাস এবং আমরা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করার উপায় খুঁজে পেয়েছি।
তবে ইসরায়েলে এসব দাবিকে বেশ সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে।
তবে মনে হচ্ছে, ইরান তাদের হামলার কৌশলে পরিবর্তন আনছে। তারা এখন ক্লাস্টার ওয়ারহেড ব্যবহার করছে, যা বিস্ফোরণের সময় ছোট ছোট বোমায় বিভক্ত হয়ে বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রতিরোধ করা তুলনামূলক কঠিন।
পাশাপাশি বড় আকারের একযোগে হামলার পরিবর্তে ইরান ছোট পরিসরে কিন্তু ঘন ঘন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে।
এ ধরনের হামলায় বারবার সতর্ক সংকেত বেজে ওঠে এবং সাধারণ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটতে বাধ্য করে, যা ধীরে ধীরে বেসামরিক জনগণের মানসিক স্থিতিশীলতা দুর্বল করার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।