প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬ ২১:৫৯ পিএম
আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২৬ ২২:১০ পিএম
যুক্তরাজ্যের গ্লস্টারশায়ারের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের বোমারু বিমান অবতরণ করে। ছবি: বিবিসি
ইরান সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে ঘোষণার করার মধ্যে দিয়ে নত না হওয়ার বার্তা দেওয়ায় চটেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর হামলা আরও তীব্র করার ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
গত ৭২ ঘণ্টায় যুক্তরাজ্যের গ্লস্টারশায়ারের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে বিমান চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যুদ্ধের দশম দিন সোমবার যুক্তরাষ্ট্র সেখানে তাদের কিছু ভারী বোমারু বিমান মোতায়েন করেছে।
এদিন সকালে তিনটি বি-৫২ বোমারু বিমান সেখানে অবতরণ করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংঘাতের সময় যুক্তরাজ্যে প্রথমবারের মতো বি-৫২ দেখা গেল।
১৯৫০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীতে যুক্ত হওয়া এই বোমারু বিমানগুলো ভিয়েতনাম থেকে আফগানিস্তান পর্যন্ত বিভিন্ন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে।
কিছু বি-৫২ যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের অংশ, যার অর্থ এগুলো পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে পারে।
এই সুপারসনিক বিমানগুলো দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে পারে এবং সর্বোচ্চ ২৪টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম।
ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে ১০ হাজার ফুট দীর্ঘ রানওয়ে রয়েছে, যা এই বিশাল আকারের বিমানের জন্য উপযোগী।
এসব বিমান দেখতে ঘাঁটির চারপাশে অনেক সাংবাদিক ও স্থানীয়রা জড়ো হয়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা করলে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনি। গত ২ মার্চ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত ইরান প্রত্যেক আমেরিকানের জন্য চরম হুমকি।”