প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২২ ১৪:১৯ পিএম
আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২২ ১৫:০৭ পিএম
ছবি সংগৃহীত
তাইওয়ানে যেকোনো ধরনের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যক্রমে’র প্রশ্নে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা দিয়েছে চীন। দ্বীপরাষ্ট্রটি দখলে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগেও অঙ্গীকারবদ্ধ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বেইজিং।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাইওয়ান ইস্যুতে শ্বেতপত্র জারি করে বুধবার এ ঘোষণা দেয় বেইজিং।
গত সপ্তাহে কয়েক দশকের মধ্যে মার্কিন কোনো শীর্ষ নেতা হিসেবে পেলোসি তাইওয়ান সফর করেন। তার সফরের পরই ক্ষুব্ধ বেইজিং তাইওয়ানের জল ও আকাশসীমাজুড়ে অভূতপূর্ব সামরিক মহড়া শুরু করে। রবিবার শেষ করার কথা থাকলেও মহড়া চলমান রাখে দেশটি। এ ছাড়া দ্বীপরাষ্ট্রটি দখলে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করতেও পিছপা হবে না বলে জানিয়ে দেয় বেইজিং।
চীনে তাইওয়ান বিষয়ক কার্যালয় থেকে বুধবার একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হয়। যেখানে বেইজিং সামরিক মহড়া এবং অর্থনৈতিক প্রণোদনার মাধ্যমে কীভাবে তাইপেকে তাদের অংশ করতে চায়, তা তুলে ধরা হয়।
এতে বলা হয়, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ পুনর্মিলনের জন্য সব ধরনের ছাড় দিতে প্রস্তত। কিন্তু কোনোভাবেই বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপের সুযোগ দেওয়া হবে না। তার জন্য বেইজিং যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।’
বিচ্ছিন্নতাবাদী কিংবা বাইরের কোনো শত্রু কোনো ধরনের উসকানি দিয়ে চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করলে তার পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে জানায় বেইজিং।
এর আগে তাইওয়ান ইস্যুতে ২০০০ সালে শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছিল চীন।
১৯৯০ দশকের শেষের দিকে এসে দ্বীপটি স্বৈরাচারী ব্যবস্থা থেকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। তখন থেকে বিশ্ব দরবারে স্বতন্ত্র তাইওয়ানের পরিচয়ে আবির্ভূত হয়েছে।
তবে ২০১৬ সালে সাই ইং-ওয়েনের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে উভয়পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে খারাপ হতে শুরু করে। কারণ সাই এবং তার দল ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি তাইওয়ানকে চীনের অংশ বলে না মেনে একে স্বাধীন ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায়।
পেলোসির সফরের পর বেইজিং যে মহড়া শুরু করেছে, তাকে দ্বীপরাষ্ট্রটি আক্রমণের প্রস্তুতি বলেও উল্লেখ করেছে তাইপে।
প্রবা/এনএস/এসআর