প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০২২ ১৫:০২ পিএম
আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২২ ১৫:২৩ পিএম
এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন। ছবি : সংগৃহীত
কাতারের সঙ্গে একটি দীর্ঘ-বিলম্বিত অস্ত্র চুক্তি অনুমোদন করেছে জো বাইডেন প্রশাসন। এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশটিকে ১০০ কোটি ডলার মূল্যের অ্যাটাক ড্রোন (ইউএভি) ও সরঞ্জাম সরবরাহ করবে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগ মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) এক ঘোষণায় এই চুক্তি অনুমোদনের বিষয়টি জানিয়েছে। এই ঘোষণাটি যখন দেওয়া হয়, সে সময় কাতারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ফুটবল দলের দ্বিতীয়ার্ধের লড়াই চলছিল।
চুক্তির আলোকে কাতার যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০টি ড্রোন ও ২০০টি ড্রোন ইন্টারসেপ্টর (ড্রোন বিধ্বংসী অস্ত্র) এবং এ সংক্রান্ত সরঞ্জাম পাবে। বিনিময়ে তেলসমৃদ্ধ এই দেশটিকে দিতে হবে ১০০ কোটি ডলার।
কাতারের পক্ষ থেকে এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০২০ সালেই চাওয়া হয়। সে সময় সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো আরব দেশের সঙ্গে কাতারের সম্পর্ক ভালো ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রও ভেবেছিল কাতারকে ড্রোন সরবরাহ করা হলে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্ররা তা ভালো চোখে দেখবে না।
২০১৭ সালে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর একচেটিয়াভাবে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। যদিও এখন সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে গেছে। কাতারে চলমান বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান কাতার সফরে এসেছিলেন।
এ ছাড়া গত বছর আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের ও তাদের সহযোগীদের দেশটি ত্যাগের সময় সহায়তা করে কাতার। এ ছাড়া তালেবানের সঙ্গে আমেরিকার মধ্যস্থতায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল দেশটি।
তবে কাতারের সঙ্গে ইরানের বেশ ভালো সম্পর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে দেশটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বরাবরই ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান নেয়। এ ছাড়া দেশটির সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার কনটেন্ট নিয়েও আপত্তি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য আরব মিত্র দেশের।
কাতার যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র এবং দেশটিতে পেন্টাগনের ঘাঁটিও রয়েছে।