প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৩ ২০:১৪ পিএম
আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২৩ ২০:২৩ পিএম
বিশ্ব হেড-নেক ক্যানসার দিবস উপলক্ষে নাক কান গলা ইনস্টিটিউটে এসব কথা বলেন বক্তারা। প্রবা ফটো
ক্যানসার চিকিৎসায় রোগীরা অনেক দেরি করে আসে। বিশেষ করে নাক, কান, গলায় কিছু হলে এমনকি টিউমার হলেও রোগীরা অবহেলা করে। সচেতনতার মাধ্যমেই ৩০ শতাংশ ক্যানসার নিরাময় সম্ভব।
বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) বিশ্ব হেড-নেক ক্যানসার দিবস উপলক্ষে নাক কান গলা ইনস্টিটিউটে (ইএনটি) আয়োজিত সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
এর আগে সচেতনতামূলক শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিবসটির কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য ‘স্বল্প সময়ে সমন্বিত চিকিৎস’ লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এসব কার্যক্রমে নাক কান গলা ইনস্টিটিউটের পরিচালক জাকারিয়া সরকার,
অভিনেতা তারিক আনাম খান, অধ্যাপক আশেকুর রহমান ভূঞা, সহযোগী অধ্যাপক কে এম মামুন মোশের্দ
প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, জীবনযাত্রার ধরন, তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার,
পান-সুপারি, বিড়ি-সিগারেট সেবন ও মদ্যপান হেড-নেক ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। একাধিক
ক্যানসারের মধ্যে অন্যতম ঘাতক হেড-নেক ক্যানসার। যা থেকে গলায়, ভোকাল কর্ড, মুখ ইত্যাদি
অঙ্গে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ে। দেশে বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার আক্রান্তের মধ্যে শুধুমাত্র
হেড-নেক ক্যানসার আক্রান্তের সংখ্যাই ৩০-৩৫ শতাংশ ও এর প্রাদুর্ভাব ক্রমবর্ধমান। প্রাথমিক
অবস্থায় শনাক্ত করা গেলে হেড-নেক ক্যানসার নিরাময়যোগ্য।
অধ্যাপক আশেকুর রহমান ভূঞা বলেন, সাধারণ মানুষকে সচেতন করাই এ দিবস
পালনের উদ্দেশ্য। এ ধরণের ক্যনসারে রোগীর ওপর কী প্রভাব পড়ে সে বিষয়গুলো সম্পর্কে মানুষকে
জানাতে হবে। আমাদের দেশে এই ক্যানসার নিয়ে প্রচার-প্রচারণা কম।
নাক কান গলাইনস্টিটিউটের পরিচালক জাকারিয়া সরকার বলেন, দ্রুত রোগীরা আসলে আরও সহজে এ রোগের নিরাময় করতে পারে। এ ইন্সটিটিউট অনেক রোগীর সফল অপারেশন করতে পেরেছে। এ ধরনের রোগীদের সামাজিক ও পেশাগত জায়গায় সমস্যায় পড়তে হয়, তাই সচেতনতা দরকার। আর রোগীকে সামাজিক, মানসিক ও পেশাগত জায়গায় শক্ত রাখতে লাইগেনোকটমি ক্লাব খুলেছি। এখানে রোগীদের কাউন্সিলিং করা হয়।