বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন উপলক্ষে রবিবার আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় কথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। ছবি: বাসস
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
তিনি বলেন, রোগীরা যেন হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে লক্ষ্যে নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।
জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন উপলক্ষে রবিবার আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় দুই মাস ধরে সরকার বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসকদের ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
হাম পরিস্থিতি নিয়ে সরদার মো. সাখাওয়াত বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ মুহূর্তে হাম পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ইতোমধ্যে দেশব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। মূলত শিশুদের পুষ্টিহীনতার কারণে হাম পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাবি করেন, চার বছর ধরে ফ্যাসিস্ট শাসনামলে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ ও টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, আগামী ১৫ আগস্ট নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালটি পরিদর্শন করলে এর উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।
সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত বলেন, সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা যেন সবাই সমানভাবে পেতে পারেন, সেজন্য স্বাস্থ্যসেবার বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। এ লক্ষ্যে অন্তত চারটি পুরনো বিভাগীয় শহরে নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সেক্ষেত্রে এই হাসপাতালের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে যদি পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরি করা না যায়, তাহলে ওইসব ইনস্টিটিউট কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে না।