সংবাদ সম্মেলন
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৫ ১৯:৩০ পিএম
আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২৫ ২০:১৪ পিএম
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে অর্থোপেডিক চিকিৎসকদের সংবাদ সম্মেলন। প্রবা ফটো
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির আগের কমিটির সম্মিলিত পদত্যাগে একটি প্রশাসনিক শূন্যতা সৃষ্টি হয়। সংগঠনটি নতুন দায়িত্ব নিয়ে দুটি পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নেওয়ায় সোসাইটির কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। এ অচলাবস্থা নিরসনে নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি চেয়েছেন অর্থোপেডিক চিকিৎসকরা।
মঙ্গলবার (৪ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসকরা এ দাবি জানান।
তারা বলেন, বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটি ১৯৭৯ সালে গঠিত হওয়ার পর থেকে ঐতিহাসিক পরিক্রমায় একটি মর্যাদাপূর্ণ পেশাজীবী সংগঠন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
লিখিত বক্তব্যে অর্থোপেডিক চিকিৎসক ডা. সৈয়দ জাকির হোসেন বিপ্লব বলেন, ৫ আগস্টের পর আগের কমিটি সম্মিলিত পদত্যাগ করে। এর পর জাতীয়তাবাদী অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে, কাউকে কিছু না জানিয়ে অল্প সংখ্যক চিকিৎসককে নিয়ে একটি মহল চর দখলের মত ফ্যাসিস্ট কায়দায় একটি কমিটি ঘোষণা করে। বিষয়টি সিনিয়র চিকিৎসকদের নজরে এলে সবার সম্মতিক্রমে নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে ডা. ওয়াকিল, ডা. বিপ্লব এবং ডা. রবির নেতৃত্বে ৮১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) শীর্ষনেতাদের উপস্থিতি এ কমিটি পরিচিত সভায় ইতিপূর্বে স্বঘোষিত কমিটির কয়েকজন বহিরাগতদের নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করেন।
তিনি বলেন, পরে সিনিয়র চিকিৎসকদের হস্তক্ষেপে উভয়পক্ষের কার্যকলাপ স্থগিত করে সম্মেলিত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। যদিও সিংহভাগ অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ডা. ওয়াকিল, ডা. বিপ্লব এবং ডা. রবি পরিষদের সঙ্গেই ছিলেন। তবুও বৃহত্তর স্বার্থে আমরা এতে সম্মত হই। কিন্তু ওই ক্ষুদ্র গোষ্ঠী পুনরায় আলাপ-আলোচনার তোয়াক্কা না করে, ওয়াদা বরখেলাপ করে একটি পরিবর্তিত ও অগ্রহণযোগ্য কমিটি ঘোষণা করে যেখানে ফ্যাসিবাদী চক্রের সম্পৃক্ততা স্পষ্ট।
তিনি আরও বলেন, আমরা সিনিয়র চিকিৎসকদের সম্মতিতে যে ৮১ সদস্য করেছিলাম তা আজ ১৬১ সদস্য কমিটিতে রূপান্তরিত করলাম। পাশাপাশি সামনের কমিটি আমরা অর্থোপেডিক চিকিৎসকদের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্ধারণ করতে চাই।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- অর্থোপেডিক চিকিৎসক অধ্যাপক হাসান মাসুদ, অধ্যাপক পারভেজ এহসান, অধ্যাপক মনিরুল আলম মিন্টু, ডা. ওয়াকিল, ডা. তাজুল ইসলাম রবি, ডা. শামিম, ডা. মাসুদ, ডা. শফিকুল ইসলাম, ডা. এবিএম জাকির হোসেন, ডা. কামরুল ইসলাম, হোসাইন রাসেল, ডা. মহসিন, ডা. শামিম, ডা. সাব্বির, ডা. ইমরানুর রহমান সনেট, ডা. জিয়া, মাসুম, ডা. মতিন, ডা. আশিক, ডা. রাজু, ডা. মামুন, ডা. রিফাত, ডা. সোহান, ডা. পলাশ, ডা. হিমেল, ডা. শিহাব প্রমুখ ।