× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

১৫ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে রেকর্ড গড়ল তিমি

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ২২ মে ২০২৬ ১০:২০ এএম

আপডেট : ২২ মে ২০২৬ ১৫:৩২ পিএম

বিশেষ সফটওয়্যারের সাহায্যে লেজের রঙের ধরন ও খাঁজযুক্ত অংশ মিলিয়ে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হন যে, একই তিমি অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিলÑ দুই জায়গাতেই দেখা গেছে। ছবি: প্যাসিফিক হোয়েল ফাউন্ডেশন

বিশেষ সফটওয়্যারের সাহায্যে লেজের রঙের ধরন ও খাঁজযুক্ত অংশ মিলিয়ে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হন যে, একই তিমি অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিলÑ দুই জায়গাতেই দেখা গেছে। ছবি: প্যাসিফিক হোয়েল ফাউন্ডেশন

সমুদ্রের বিশাল জলরাশির নিচে লুকিয়ে থাকা প্রাণীদের চলাচল নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। এবার বিজ্ঞানীরা এমন দুইটি হাম্পব্যাক তিমির সন্ধান পেয়েছেন, যারা পৃথকভাবে অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিলের মধ্যে যাতায়াত করে নতুন রেকর্ড গড়েছে।

গবেষকদের মতে, এরা প্রায় ৯ হাজার মাইল বা ১৪ হাজার ৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করেছে, যা এখন পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া হাম্পব্যাক তিমিদের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ ভ্রমণ। এর আগে কলম্বিয়া থেকে জাঞ্জিবার পর্যন্ত যাত্রা করা একটি হাম্পব্যাক তিমি দীর্ঘতম ভ্রমণের রেকর্ডধারী ছিল। 

তিমি দুটিকে শনাক্ত করা হয়েছে তাদের লেজের বিশেষ নকশা ও প্রান্তের বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে। গবেষকরা গত চার দশকে তোলা প্রায় ১৯ হাজারের বেশি তিমির ছবি বিশ্লেষণ করেন। গবেষণা দল ও সাধারণ নাগরিকদের তোলা ছবিও এতে ব্যবহার করা হয়।

বিশেষ সফটওয়্যারের সাহায্যে লেজের রঙের ধরন ও খাঁজযুক্ত অংশ মিলিয়ে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হন যে, একই তিমি অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিলÑ দুই জায়গাতেই দেখা গেছে। তবে বিজ্ঞানীরা এখনও নিশ্চিত নন, কী কারণে এই দুই তিমি তাদের স্বাভাবিক পথ বদলে এত দীর্ঘ যাত্রায় বের হয়েছিল।

গবেষণাটির সহ-লেখক স্টেফানি স্ট্যাক বলেন, “অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিলের মধ্যে শুধু একটি নয়, দুটি তিমির চলাচল আমাদের ধারণাকেই বদলে দিয়েছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, আলাদা বলে মনে করা তিমির দলগুলো বাস্তবে হয়তো এতটা বিচ্ছিন্ন নয়।”

গবেষণাটি গত মঙ্গলবার বিজ্ঞান সাময়িকী ‘রয়্যাল সোসাইটি ওপেন সায়েন্সে’ প্রকাশিত হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই আবিষ্কার জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বোঝার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কারণ সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ার ফলে ক্রিলের অবস্থান পরিবর্তিত হলে হাম্পব্যাক তিমিদের খাদ্য ও প্রজননের পথও বদলে যেতে পারে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা