তৌকির মোহাইমিন
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৪ ১২:০৪ পিএম
আপডেট : ০৯ মে ২০২৪ ১২:১৯ পিএম
গল্পের সঙ্গে সুন্দর ছবিটি এঁকেছে নিঝুম নিসর্গ। সে খুলনা সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী
সেন্টমার্টিন দ্বীপে একটি মা পানকৌড়ি ও তার ছানা বাস করে। ছানা পানকৌড়ির নাম শুভ্র। মায়ের নাম লিলি। মা শুভ্রকে ভালোবাসে। ছোট্ট শুভ্র দেখতে অনেক সুন্দর। ওকে নিয়ে মা লিলি সবসময় ভয়ে থাকে। শুভ্র খুব দুরন্ত প্রকৃতির। সারা দিন শুধু ঘুরে বেড়াত। একদম বাসায় থাকত না। এ নিয়ে মা খুব চিন্তায় থাকত। ওই দ্বীপের গিরিগিটিরা খুব ভয়ংকর। তারা অন্য সব জন্তুদের ধরে ধরে খেয়ে ফেলে। একদিন শুভ্র আর তার বন্ধু লিচু খেলা করছিল। লিচু বলল, সে গিরগিটিদের বস গারগয়েলের আস্তানা দেখতে যাবে। শুভ্র প্রথমে নিষেধ করে, পরে বন্ধুর কথায় রাজি হয়ে যায়। প্রবালের কাছে গারগয়েলের আস্তানায় ঢুকে তারা দেখে সেখানে অনেক পশুপাখির হাড় পড়ে আছে। হঠাৎ গারগয়েলের শিষ্য গ্রিগেল তাদের দেখে ধরে বন্দি করে ফেলে, তারপর গারগয়েলের কাছে নিয়ে যায়। গারগয়েল তাদের আটকে রেখে গ্রিগেলকে পাহারায় রেখে আরও শিকারের খোঁজে বাইরে যায়। অন্যদিকে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও বাড়িতে না ফেরায় মা লিলি শুভ্রকে খুঁজতে বের হয়। কোনো জায়গায় না পেয়ে শেষে গারগয়েলের আস্তানায় গিয়ে দেখে, তাদের বন্দি করে রাখা হয়েছে। তারপর পশুর হাড় দিয়ে অস্ত্র বানিয়ে পাহারাদার গ্রিগেলের সঙ্গে যুদ্ধ করে শুভ্র আর তার বন্ধু লিচুকে মুক্ত করে। কিন্তু লিলি এতে অনেক আহত হয়। সে আর উড়তে পারছিল না। অন্যদিকে তারা শুনতে পায় গারগয়েল চলে আসছে। তারপর মা লিলি অনেক কষ্টে লিচু আর শুভ্রকে নিয়ে প্রবাল পাচীর থেকে বের হয়ে গাছের আড়ালে লুকিয়ে পড়ে। তারপর লিলির বন্ধু ঈগল এসে তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেয়। এভাবে মায়ের ভালোবাসার কাছে সব মৃত্যুর ভয় হার মেনে যায়।
চতুর্থ শ্রেণি, বরিশাল জিলা স্কুল