সানজিদা সামরিন
প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২২ ১৭:৩৭ পিএম
ফাইল ছবি
বৃষ্টিহীন দিনের মতো খরা যাচ্ছে হৃদয়েও। ভাবনাও যখন দিক হরায় তখন কার কাছে মন চায় ঠাঁই? সেই বন্ধুটিকেই কাছে চায় মন; যার পাশে বসলেই এক বিকেল রোদ্দুর নিমেশেই শীতল হয়ে যায়। এমন সময় সেলফোন তুলে তাকে কল দিতেই যখন ওপাশ থেকে ভেসে আসে- ‘দোস্ত, ব্যস্ত আছি রে, পরে কথা বলি।’ তখন যেন সহসাই রাত্তির নেমে আসে চোখে।
ব্যস্ত এ সময়ে সবচেয়ে কাছের বন্ধুটির সঙ্গেও দেখা হয়ে ওঠে না। ক্যাম্পাসের করিডোরের সেই জম্পেশ আড্ডার দৃশ্য প্রতিনিয়তই নস্টালজিক করে তোলে। কিন্তু কর্মজীবন ও রোজকার ব্যস্ততায় বন্ধুদের ভুলে গেলে চলবে? সুযোগ বুঝে খোঁজ নিন প্রিয় বন্ধুটির, কাটান কোয়ালিটি টাইম-
শুভেচ্ছার আদান-প্রদান: সোস্যাল মিডিয়ার এ যুগে স্কুল বা পাড়ার বন্ধুটিও নিশ্চয়ই আছে আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে। বন্ধুর জন্মদিন, উপলক্ষ বা উৎসবে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়ে দিন। বন্ধুর অর্জন, দুঃসময়ে জানান সাধুবাদ ও সমবেদনা। অবসরে খোঁজ-খবর নিন।
ব্যস্ততার অজুহাত নয়: ব্যস্ততার অজুহাতে বার বার দেখা করার প্ল্যান ভেস্তে যাচ্ছে? ব্যাপারটা একটু এড়িয়ে চলুন। ব্যস্ততা তো রোজকার ব্যাপার, তাই বলে বন্ধুদের সময় দেবেন না? ছুটির দিনের কোনো এক বিকেল বা অফিসের পর একদিন সময় বের করে একদিন চায়ের কাপ নিয়ে বসুন তাদের সঙ্গে। অথবা রাতের খাবার খেতে চলে যান প্রিয় কোনো রেস্তোঁরায়। ঝরঝরে অনুভূতি নিয়ে বাড়ি ফিরবেন একথা বলাই যায়।
কোয়ালিটি টাইম: দীর্ঘসময় একসঙ্গে কাটানোর চেয়ে যেটুকু সময় একসঙ্গে থাকবেন সেটুকুই আনন্দে কাটান। এটাকে বলে কোয়ালিটি টাইম। বন্ধু দিবস, জন্মদিন, ওয়ান ডিশ পার্টি জমিয়ে উপভোগ করুন। হলে বা ঘরে বসেই দেখতে পারেন নতুন কোনো সিনেমা। তাছাড়া শপিং পার্টনার হিসেবেও সঙ্গী করতে পারেন পুরনো বন্ধুটিকে।
উপহার দেওয়া-নেওয়া: অনেক দিন দেখা-সাক্ষাত বা যোগাযোগ হচ্ছে না? ক্ষতি নেই। হঠাৎ একদিন বন্ধুর বাড়ি বা অফিসে পাঠিয়ে দিন তার প্রিয় লেখকের কোনো বই, চকোলেট, ফুলের তোড়া বা যেকোনো উপহার। বন্ধুর মুখে হাসি ফোটাতেও তো কম ভালো লাগে না তাইনা?
ছুটি নিয়ে ঘুরতে যান: সময় সুযোগ বুঝে ছুটি নিয়ে দল বেঁধে বন্ধুরা ঘুরতে যান কয়েক দিনের জন্য। সেসময়টা শুধু তাদের সঙ্গেই কাটান। মন খুলে কথা বলুন। জীবনের ব্যস্ততার কারণে যা বলা হয়ে ওঠেনি।
সূত্র: লাইফ হ্যাক