আসমাউল হুসনা
প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০২৩ ১০:৪০ এএম
সুদীর্ঘ ভ্রমণে ক্লান্ত হয়ে পড়ে শরীর। বিশেষ করে আকাশভ্রমণে দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকতে হয়। চাইলেও খুব বেশি হাঁটাচলা করার সুযোগ নেই। অনেকটা সময় একভাবে বসে থাকলে অস্বস্তি লাগতে পারে। এমনও হয় যে ঘুম পেলেও যায় না ঘুমানো, নানা যন্ত্রণায়। কী করা চাই তখন?
ট্রাভেল নেক পিলো
এটি ভালো ঘুম আর আরাম দিতে সহায়তা করবে। এ ছাড়া ভ্রমণের সময় ঘাড়কে অস্বস্তি থেকেও মুক্ত রাখবে। সবারই পছন্দের স্লিপিং পজিশন রয়েছে। আলাদা স্লিপিং পজিশন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ট্রাভেল পিলো ডিজাইন করা হয়। প্রয়োজনমতো মাথা ঘোরাতে বা সামনের দিকে ঝুঁকে যেকোনো পজিশনে ঘুমানোর জন্য রয়েছে আলাদা ডিজাইনের পিলো।
স্লিপিং মাস্ক
অনেকেই মনে করেন আকাশভ্রমণে স্লিপিং মাস্ক আবশ্যক। কারণ দীর্ঘ সময়ের ভ্রমণ ও জেট ল্যাগের যন্ত্রণা কাটাতে এটি বেশ কার্যকর। এক কথায় ভ্রমণে সেরা সঙ্গী। স্লিপিং মাস্ক নেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে, এটি যেন চোখের ওপর বেশি চাপ না দেয় এবং মুখের সঙ্গে মানানসই হয়।
আরও পড়ুন : ভ্রমণে ফ্ল্যাশ ফ্লাড: করণীয় কী
কন্টাক্ট লেন্স
নির্দিষ্ট একটি উচ্চতায় যাওয়ার পর প্লেনের অন্দরের আবহাওয়া শুষ্ক হয়ে পড়ে। ফলে চোখের ওপরের স্তরের জলীয় পদার্থও শুকিয়ে যায়। অনেকেরই ‘ড্রাই আইজ’-এর সমস্যা বেড়ে যায়। এ সময়ে চোখে দীর্ঘক্ষণ যদি কন্টাক্ট লেন্স পরে থাকেন সে ক্ষেত্রে সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই লেন্সের বদলে চশমা পরার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
সুগন্ধি
আপনি যে সুগন্ধটি ব্যবহার করেন তা আপনার কাছে প্রিয় হলেও এর ঘ্রাণ অন্য যাত্রীদের অস্বস্তির কারণ হতে পারে। তাই এটি এড়িয়ে চলাই ভালো।
পোশাক নির্বাচন
খুব বেশি আঁটসাঁট পোশাক না পরে হালকা রঙের আরামদায়ক পোশাক পরুন। জিন্স পরতে ভীষণ ভালোবাসেন আপনি তবে বিমান ভ্রমণের সময় এজন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন। কেননা বিমান ভ্রমণে এমন পোশাক বেছে নিতে হয় যা সর্বোচ্চ রক্ত চলাচল নিশ্চিত করে। দীর্ঘ বিমানযাত্রায় রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। দেখা দিতে পারে ‘ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস’।
আরেকটি বিষয় হলো, বিমান যখন ৪২ হাজার ফিট উচ্চতায় ওঠে, তখন মানুষের শরীর কিছুটা ফুলে ওঠে। তাই আঁটসাঁট পোশাক বিমানযাত্রার এড়িয়ে চলাই ভালো। জুতার ব্যাপারে বাড়তি মনোযোগ দিন। লম্বা সময়ের ভ্রমণে এমন পোশাক ও জুতা পরিধান করুন, যা পরে স্বস্তি অনুভব করবেন।