সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি
প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৩ ১২:৫৪ পিএম
আপডেট : ২৪ মে ২০২৩ ১৩:৩৮ পিএম
রেস্তোরাঁয় খেতে বসেছেন, এমন সময় পায়ের কাছ থেকে ডাক এলো- মিউ! না, সব রেস্তোরাঁয় এমন অবশ্যই হবে না। তবে খাবারের পাশাপাশি ছোট্ট, নরম, তুলতুলে কুকুর বা বিড়াল বন্ধুর সান্নিধ্য যদি পেতে ভালো লাগে আপনার, তাহলে রইল ঢাকার কিছু রেস্তোরাঁর তালিকা। মন চাইলে একবার ঘুরে আসতেই পারেন।
ক্যাপচিনো ক্যাট ক্যাফে (Capawcino Cat Cafe)
বিড়াল দিয়ে ভর্তি এই ক্যাপচিনো ক্যাট ক্যাফের শাখা আছে মিরপুর আর বসুন্ধরাÑ দুই জায়গায়ই। এখানকার সব বিড়ালই মূলত উদ্ধারকৃত বিড়াল। জাপানসহ পৃথিবীর বহু স্থানে এমন রেস্তোরাঁ আছে। তবে বাংলাদেশের জন্য বিড়ালবান্ধব রেস্তোরাঁ এটাই ছিল প্রথম। ২০১৯ সালে যাত্রা করে এ ক্যাট রেস্তোরাঁ। মাঝে মহামারির প্রকোপে সাময়িক বন্ধ থাকলেও বর্তমানে আবার চালু হয়েছে রেস্তোরাঁটি। রেস্তোরাঁর বিড়ালগুলো থাকে সেখানেই। তাদের জন্য আলাদা করে প্রতিটি মানুষকেই এ রেস্তোরাঁয় যেতে গুনতে হয় ২০০ টাকা। আর বাদবাকি সাধারণ সব খাবার তাদের সাধারণ দামে তো আছেই!
প্যাট আ পেট ক্যাফে (Pat a Pet Cafe)
ক্যাপচিনো ক্যাট ক্যাফের মতোই আরেকটি ক্যাফে মিরপুরের প্যাট আ পেট ক্যাফে। মিরপুর চিড়িয়াখানা রোডের এ রেস্তোরাঁর যাত্রা ২০২২ সালের মে’তে। বিড়ালদের তো এখানে আপনি পাবেনই, সঙ্গে আপনার কোনো পোষা প্রাণী থাকলে তাকে নিয়েও চলে যেতে পারেন প্যাট আ পেট ক্যাফেতে। নগরীর বেশিরভাগ রেস্তোরাঁয় পোষা প্রাণী নিয়ে প্রবেশ নিষেধ থাকার নির্দেশনা থেকেই জন্ম নিয়েছে এ ক্যাফেটি। ডেজার্ট, কফিসহ নানানরকম খাবার অর্ডার করতে পারবেন আপনি এখানে।
যাত্রাবিরতি (Jatrabiroti)
বনানীর ‘যাত্রাবিরতি’র কথা এ তালিকায় না রাখলেই নয়। পুরোটা
যাত্রাবিরতিতেই যেন রেস্তোরাঁর চেয়ে খুব বেশি নিজস্বতার মায়া ছড়িয়ে আছে। সেটারই একটি দিক হলো এখানকার বাসিন্দা বিড়ালগুলো। নিজেদের মতো ওরা খেলছে, ঘুরে বেড়াচ্ছে। কখনও মন চাইলে অতিথিদের কোলে গিয়ে বসে পড়ছে। দারুণ একটা সন্ধ্যা বা বিকাল কাটাতে চাইলে তাই যাত্রাবিরতিতে কিন্তু চলে যেতেই পারেন বিড়ালগুলোকে একটু আদর করে দিতে।
ঢাকা ফুডস (Dhaka Foods)
রাজধানীর বনশ্রী ও বসুন্ধরায় অবস্থিত ঢাকা ফুডস অনেকটা সাতক্ষীরার মৌবন রেস্তোরাঁর মতো। এ রেস্তোরাঁয় গেলেই খাবারের পাশাপাশি মাছের খেলা দেখতে পাবেন। তবে অ্যাকোয়ারিয়ামে নয়, এই রঙিন মাছগুলো ঘুরে বেড়াবে আপনার পায়ের চারপাশে। মাছ পায়ে টোকা দেবে একটু একটু করে, আর আপনি উপভোগ করবেন নিজের অর্ডার করা পছন্দের খাবারটি। ভাবতেই অন্যরকম লাগছে তাই না?
ফারিঘর (Furryghor)
অন্য সব রেস্তোরাঁর থেকে ফারিঘরটা একটু আলাদা। মিরপুর চিড়িয়াখানা রোডের এ রেস্তোরাঁয় আপনি ইচ্ছা করলেই পোষা প্রাণীকে রেখে যেতে পারবেন। ব্যাপারটা অনেকটা হোটেলের মতো। আদল মানুষের হোটেলের। কিন্তু তাতে থাকে বিড়াল আর কুকুর। কুকুরের তিনটি ও বিড়ালের ১৪টি কক্ষ আছে এ এখানে।