গর্ভাবস্থায় হাম (রুবিওলা) ও জার্মান হাম (রুবেলা)
অধ্যাপক বিলকিস বেগম চৌধুরী
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬ ১২:৫৭ পিএম
গর্ভাবস্থায় রুবেলা আক্রান্ত হলে বিকলাঙ্গ শিশু জন্মের সমূহ সম্ভাবনা থাকে
দেশে প্রতিদিনই হামে মৃত্যু হচ্ছে শিশুদের। এই খবরের ভিড়ে গর্ভাবস্থায় রুবিওলা ও রুবেলা নিয়েও আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না করলে, টিকা না দিলে, মা ও গর্ভস্থ শিশু উভয়ের ক্ষতি হতে পারে। অতি সংক্রামক এই রোগ থেকে বাঁচার জন্য সচেতনতা গড়ে তোলা আবশ্যক।
গর্ভাবস্থায় হামে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩২ বছর বয়সী সাদিয়া (ছদ্মনাম)। এর আগে তিনি এই রোগের কোনো টিকা নেননি। সন্তান জন্মের পর যখন তার শারীরিক জটিলতা দেখা দিল তখন পরিবারের সবাই বুঝলেন কী ভুল করে ফেলেছেন। ঘোর অমানিশা নেমে আসে পরিবারে। কিন্তু কীভাবে এই রোগটি এত জটিল আকার ধারণ করল যে, গর্ভে থাকা সন্তানও সুস্থভাবে জন্ম নিতে পারল না?
হাম বা মিজলস কী?
হাম বা মিজলস হলো ভাইরাসজনিত একটা সংক্রামক রোগ। এটা ‘রুবিওলা’ (rubeola virus) ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট হয়। এই হাম ভাইরাসটি প্যারামিক্সো ভাইরাস (Paramyxo virus) গোত্রীয়। এই হামকে বিভিন্নভাবে নামকরণ করা হয় (সাধারণ হাম/ লাল হাম/ রুবিওলা)। আমরা সাধারণত হাম বা Measles বলতে এই সাধারণ হামকেই বুঝি। এটা অতি সংক্রামক একটা রোগ। এই হাম আক্রান্ত একজন ব্যক্তি একসঙ্গে ১২-১৮ জন মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে। সমীক্ষায় দেখা গেছেÑ এশিয়া ও আফ্রিকার মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোয় প্রতি বছর প্রায় ১০ মিলিয়ন মানুষ হামে আক্রান্ত হয়।
কিন্তু গর্ভাবস্থায় জার্মান হাম/রুবেলার নামও উল্লেখযোগ্য। কারণ গর্ভাবস্থায় রুবেলা আক্রান্ত হলে বিকলাঙ্গ শিশু জন্মের সমূহ সম্ভাবনা থাকে। জার্মান হাম সৃষ্টকারী ভাইরাসের নাম হলো ‘রুবেলা’ (rubella virus), যা টোগা (Toga) ভাইরাস গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। তবে এটা সাধারণ হামের তুলনায় কম সংক্রামক। একজন আক্রান্ত মানুষ দ্বারা ৫-৭ জন মানুষ একবারে আক্রান্ত হতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ কথা হলোÑ এই দুটো ভাইরাসজনিত রোগই কিন্তু যথাযথভাবে টিকা (ভ্যাকসিন) দিয়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
ঝুঁকিতে কারা?
যাদের টিকা নেওয়া হয়নি। বিশেষ করে-
ভাইরাস দুটো কীভাবে ছড়ায়?
১. বায়ুবাহিত : এই ভাইরাসগুলো আক্রান্ত ব্যক্তির নাক এবং গলার শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে (mucous membrane) বাস করে। সংক্রামিত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি অথবা কথা বলার সময়ও ভাইরাসবাহিত ক্ষুদ্র কণাগুলো (droplet) বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। তার আশপাশে থাকা যেকোনো ব্যক্তি তখন শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হতে পারেন।
২. পৃষ্ঠের সংস্পর্শ : এই ক্ষুদ্র কণাগুলো আশপাশের আসবাবপত্র যেমনÑ টেবিল, চেয়ার, দরজা, জানালা ইত্যাদি বা যেকোনো খেলনাপাতির পৃষ্ঠের ওপর (অথবা বাতাসে) প্রায় ২ ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এসব দূষিত পৃষ্ঠ স্পর্শ করে নিজের নাক/মুখ বা চোখ স্পর্শ করলেও সংক্রমণ হতে পারে।
৩. গর্ভাবস্থায় : রুবেলা ভাইরাস (জার্মান হাম) গর্ভফুলের মাধ্যমে গর্ভবতী মা থেকে গর্ভস্থ শিশুকে আক্রান্ত করতে পারে।
গর্ভকালীন মা ও গর্ভস্থ শিশুর কী ধরনের জটিলতা হতে পারে
রুবেলা ভাইরাস আক্রান্ত নারীর গর্ভজাত শিশু একাধিক জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মানোর সমূহ সম্ভাবনা থাকে। একে বলে কনজেনিটাল রুবেলা সিনড্রোম (CRS), যা শিশুর বিকাশকে প্রভাবিত করে। এই ঝুঁকি গর্ভধারণের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় মাসে যথাক্রমে ৬০, ২৫ এবং ১০ শতাংশর মতো। গবেষণায় দেখা গেছে, CRS আক্রান্ত শিশুরা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ভাইরাসটি বহন করতে পারে। ফলে তার আশপাশের লোকজনকে সংক্রামিত করতে পারে। এ ছাড়া গর্ভপাত, গর্ভজাত শিশুর মৃত্যু ইত্যাদি জটিলতা হতে পারে।
হাম বা মিজলসের ক্ষেত্রে গর্ভস্থ শিশুর জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মানোর সম্ভাবনা নেই। তবে অন্যান্য জটিলতা হতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোÑ গর্ভপাত, গর্ভস্থ শিশুর বেড়ে না ওঠা, গর্ভের পানিস্বল্পতা (oligohydromnios), অকাল প্রসব বা মৃত বাচ্চা প্রসবের ঝু্ঁকি। আর আক্রান্ত গর্ভবতী মা শ্বাসতন্ত্রীয় জটিলতা (নিউমোনিয়া) বা কদাচিৎ মস্তিষ্কের সংক্রমণজনিত ইত্যাদি মারাত্মক জটিলতায় (এনকেফালাইটিস) ভুগতে পারে।
হাম ও রুবেলার পর্যায়সমূহ (Stages)
হাম (রুবিওলা) : একজন ব্যক্তি হাম ভাইরাসের সংস্পর্শে আসা থেকে পুরোপুরি সুস্থ হওয়া পর্যন্ত সাধারণত ২-৩ সপ্তাহ সময় লাগে।
১. ইনকিউবেশন পর্যায় : ভাইরাস শরীরে প্রবেশের পর প্রথম ৭-১৪ দিন আক্রান্ত ব্যক্তি উপসর্গবিহীন থাকে। এ সময়ে ভাইরাসটি শরীরের ভেতরে সংখ্যা বৃদ্ধি করতে থাকে।
২. এরপর ২-৪ দিন হলো প্রারম্ভিক পর্যায় : এই সময়ে প্রাথমিক লক্ষণগুলো দেখা যায়। যেমনÑ হালকা থেকে মাঝারি জ্বর, শুষ্ক কাশি, নাক দিয়ে পানি ঝরা, চোখ লালচে হওয়া/পানি পড়া, গলা ব্যথা ইত্যাদি। পাশাপাশি মুখগহ্বরে হাম-স্বতন্ত্র ‘কপলিক স্পট’ (লাল পটভূমিতে ছোট সাদা দাগ) দেখা দিতে পারে।
৩. ফুসকুড়ি (Rash) পর্যায় : পরবর্তী ৪-৭ দিনে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। সাধারণত মুখ থেকে শুরু হয়। ক্রমান্বয়ে শরীরের নিচের অংশে ছড়াতে থাকে (কাঁধ, বুক-পিঠ, বাহু-হাত, পা-পায়ের পাতা পর্যন্ত)। ফুসকুড়ি গাঢ় লাল এবং ছোপ ছোপ আকার ধারণ করে। আর তখন শরীরের তাপমাত্রা ১০৪-১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত বাড়তে পারে।
৪. পুনরুদ্ধার পর্যায় : ফুসকুড়ি ও জ্বর ধীরে কমে যায়। ফুসকুড়ি যে ক্রমানুযায়ী শুরু হয়, ঠিক তেমনভাবেই শেষ হয়। অর্থাৎ প্রথমে মুখ এবং সবশেষে পা ফুসকুড়িমুক্ত হয়। এ পর্যায়ে দুর্বলতা ও কাশি থাকতে পারে।
৫. সংক্রামক কাল : হাম অতি সংক্রামক ব্যাধি। উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগেই সংক্রামিত ব্যক্তি অজান্তেই তার আশপাশে হাম/রুবিওলা ভাইরাসটি ছড়িয়ে দিতে পারে। সাধারণত ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার ৪ দিন আগে থেকে ৪ দিন পর পর্যন্ত হাম সংক্রামক।
রুবেলা (জার্মান হাম)
এটিও ছোঁয়াচে রোগ। তবে লক্ষণগুলো মৃদু ও স্বল্প স্থায়ী। আবার প্রায় ৫০ শতাংশ আক্রান্ত মানুষ উপসর্গবিহীনও থাকতে পারে। অথচ এরা অন্যদের নিজের অজান্তে সংক্রমিত করে যায়।
১. রুবেলা ভাইরাসের ইনকিউবেশন পর্যায় সাধারণ হামের মতোই (সাধারণত ২-৩ সপ্তাহ)।
২. প্রারম্ভিক পর্যায় : এটা শুরু হয় ফুসকুড়ি ওঠার ১-৫ দিন আগে। হালকা জ্বর (<১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইট) মাথাব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, শরীরের অস্থি-সন্ধিসমূহে ব্যথা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়। একটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ হলো কাঁধ এবং কানের পেছনের লসিকাগ্রন্থি ফুলে যাওয়া ও স্পর্শকাতর হওয়া।
৩. ফুসকুড়ি পর্যায় : সংক্রমণের প্রায় দুই সপ্তাহ পরে সূক্ষ্ম ফুসকুড়ি শুরু হতে পারে। এটাকে রুবেলার প্রধান লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ফুসকুড়ির রঙ হালকা লাল বা গোলাপি। এটাও মুখ থেকে শুরু হয়ে ক্রমান্বয়ে নিচের অংশে ছড়াতে থাকে। তবে সাধারণত ৩ দিন পর একইভাবে মিলিয়ে যায়। দেখা যায় যে ফুসকুড়ি শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে মুখের অংশে বিলীন হয়ে যায়। এজন্য রুবেলাকে ‘থ্রি-ডে মিজলস’ বা ‘৩ দিনের হাম’ বলা হয়।
৪. পুনরুদ্ধার পর্যায় : বেশিরভাগ রোগীই এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে অস্থি-সন্ধি ব্যথা আরও কিছুদিন থাকতে পারে।
৫. সংক্রমণ পর্যায় : শুরু হয় সাধারণত ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার এক সপ্তাহ আগে থেকে। এবং এর এক সপ্তাহ পর পর্যন্ত আক্রান্ত ব্যক্তি এই ভাইরাস ছড়াতে পারে। তবে উপসর্গবিহীন আক্রান্ত ব্যক্তিও কিন্তু এই সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম। এই ব্যাপারটি বিশেষ করে গর্ভবতী মার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। নিজের অজান্তেই আক্রান্ত মা তার অনাগত সন্তানের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
কীভাবে রোগ দুটো শনাক্ত করা হয়
সার্বিক ইতিহাস পর্যালোচনা করার পর ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে রোগ শনাক্ত করা হয়। উভয় ক্ষেত্রেই পরীক্ষার ধরন একইÑ
IgM অ্যান্টিবডি পজিটিভ মানে বর্তমান সংক্রমণ বোঝায় এবং এরা রোগ ছড়ায়। ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার পর ৩ দিনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ হাম-স্বতন্ত্র রোগীর রক্তে হাম নির্দিষ্ট IgM শনাক্ত করা যায়। এরপর ৪-১১ দিনের মধ্যে ১০০ শতাংশ রোগীর এই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। প্রায় ৯০ শতাংশর বেশি রোগীর মোটামুটি ২৮ দিন পর্যন্ত IgM পজিটিভ থাকে।
রুবেলার ক্ষেত্রে উপসর্গ শুরুর ৫ দিন পর প্রায় ৯০ শতাংশের ক্ষেত্রে রুবেলা নির্দিষ্ট IgM পজিটিভ হয়। তবে ৪-৩০ দিনের মধ্যেও শনাক্ত করা যায়। এদের IgM সর্বোচ্চ ৩ মাস স্থায়ী থাকে। সাম্প্রতিক রুবেলা ভ্যাকসিন গ্রহণের পরও IgM পজিটিভ হতে পারে। এজন্যই রুবেলা টিকা গ্রহণের তিন মাসের মধ্যে সাধারণত গর্ভধারণ নিষেধ করা হয়।
আরটি-পিসিআর পরীক্ষা : নির্দিষ্ট ভাইরাস শনাক্ত করার জন্য সাধারণত নাক/গলা থেকে রস (swab) নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। তবে প্রস্রাবের নমুনা থেকেও এই পরীক্ষা করা যায়।
উভয় ক্ষেত্রে IgG অ্যান্টিবডি পজিটিভ মানে হলো আগে এই রোগের সংক্রমণ হয়েছিল। অথবা এই ভাইরাসের টিকা যথাযথভাবে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে।
এই রোগ দুটোর চিকিৎসা কী?
দুটোই ভাইরাসজনিত রোগ। এক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিকে উপসর্গ অনুসারে চিকিৎসা দিতে হবে। তাকেÑ
হাম (রুবিওলা) ও জার্মান হামের (রুবেলা) মধ্যে মূল পার্থক্য কী
উভয়ই ভাইরাসজনিত রোগ। তবে ভাইরাস দুটো ভিন্ন গোত্রীয়। আর এদের প্রভাবও স্বতন্ত্র। হাম অত্যন্ত সংক্রামক। রুবেলা ভাইরাস তুলনামূলকভাবে কম ছোঁয়াচে।
পর্যায়ভেদে হাম ও জার্মান হামের স্বকীয়তা আছে। আর এই ভিন্নতা দিয়েই প্রাথমিকভাবে রোগ দুটো শনাক্তকরণে সম্যক ধারণা করা যায়। উভয় ক্ষেত্রেই জ্বর, কাশি, ফুসকুড়ি ইত্যাদি হয়। তবে ধরন ও তীব্রতা ভিন্ন। সাধারণত হামের লক্ষণগুলো বেশি তীব্র হয়। রুবেলার ক্ষেত্রে তা মৃদু।
জটিলতা
রুবেলা আক্রান্ত গর্ভবতী নারী তার গর্ভস্থ শিশুর জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। এই শিশুর সমূহ সম্ভাবনা থাকে একাধিক জন্মগত ত্রুটিসহ জন্মানোর। হামের ক্ষেত্রে এই জন্মগত ত্রুটির ঝু্ঁকি নেই। তবে দুটো রোগের একটাই মিল আছে। তা হলো যথাযথ ভ্যাকসিন/টিকার মাধ্যমে হাম ও রুবেলা (জার্মান হাম) কে প্রতিরোধ করা সম্ভব। এম এম আর টিকা (MMR vaccine) হাম, মাম্পস ও রুবেলা রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।
দুটো রোগের মধ্যে পার্থক্য জানাটা অত্যন্ত প্রয়োজন। পর্যায়ভেদে এদের স্বকীয়তা নির্ণয়নও বিশেষ জরুরি। এসব কিছুই রোগ দুটো শনাক্তকরণে সাহায্য করে। পাশাপাশি জাতীয়ভাবে শিশু-কিশোর-প্রাপ্তবয়স্কদের যথোপযুক্ত টিকা/ভ্যাকসিনের মাধ্যমে এই দুটো রোগকে প্রতিরোধ করা একান্ত প্রয়োজন। তবে গভাবস্থায় এ দুটো টিকা কখনোই দেওয়া যাবে না। তাহলেই সুরক্ষিত থাকবে গর্ভবতী নারী এবং তার গর্ভস্থ শিশু। আর এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। কারণ সুস্থ মা-সুস্থ শিশু-ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ একই সূত্রে গাঁথা।
লেখক : প্রসূতিবিদ্যা ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ
মির্জাপুর, টাঙ্গাইল