× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মধুর আমার মায়ের হাসি

আরফাতুন নাবিলা

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬ ১৪:১৭ পিএম

শুধু মা দিবস নয়, মায়ের যত্ন নিন প্রতিদিন    ছবি - রঙ বাংলাদেশ

শুধু মা দিবস নয়, মায়ের যত্ন নিন প্রতিদিন ছবি - রঙ বাংলাদেশ

মা এমন একজন মানুষ, যাকে নিয়ে লেখা শুরু করলে সম্ভবত ফুরাবে না কখনোই। সন্তান জন্ম দেওয়া থেকে শুরু করে তাকে বড় করা, নিজের সকল কষ্ট গোপন করে সন্তানকে সুন্দর জীবন দেওয়ার চেষ্টা করাÑ সবই যেন মা করে যান নিঃশব্দে। মা দিবস প্রতি বছর একইভাবে আসে। কিন্তু মাকে নিয়ে বলা গল্প কি কখনও শেষ হয়? 

মায়ের ভালোবাসা কোনো বিনিময়মূল্য খোঁজে না। সন্তানের একচিলতে হাসির জন্য তিনি হাসিমুখে বিসর্জন দেন নিজের শখ, স্বপ্ন আর বিশ্রামের সময়টুকু। অসুখের রাতে কপালে জলপট্টি দিয়ে জেগে থাকা সেই নির্ঘুম চোখগুলোই বলে দেয়, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ত্যাগী যোদ্ধার নাম ‘মা’। 

সম্প্রতি মা হয়েছেন নিগার জাহান খন্দকার সিন্ধু। চাকরি, ব্যবসা সামলে সন্তানের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। প্রথম মা হওয়ার শারীরিক কষ্ট যেমন আছে, প্রশান্তিও কম নয়। মা হওয়ার অনুভূতি কেমন জানতে চাইলে সিন্ধু বলেন, ‘নতুন মা হওয়া মানে একটা অন্যরকম অনুভূতি। প্রতিটা নিঃশ্বাস ভয় আর ভালোবাসায় মিশে থাকে। নিজের সাথে আরেকটা সত্তা জুড়ে থাকে, যার নিরাপত্তা আর নির্ভরতা জায়গা মানেই আমি।’

মায়ের ফ্যাশন 

নতুন মা হলেই কি দিনক্ষণ সব ভুলে যেতে হবে? আগের দিনে এসব নিয়ে কেউ সেভাবে না ভাবলেও বর্তমানে যারা মা হচ্ছেন তারা আগের চেয়ে অনেক সচেতন। মা হয়েও পড়াশোনা, চাকরি, ব্যবসা তথা ক্যারিয়ার সামলে যাচ্ছেন সমানতালে। ফ্যাশনসচেতন যে মায়েরা আছেন তারা অবশ্য মা হওয়ার পর খানিকটা দ্বিধায় পড়ে যান এই সময়ে কোন পোশাক পরবেন তা নিয়ে। 

ঘরে ম্যাক্সি, লম্বা ও ঢিলে টি-শার্ট বা জামা গায়ে দিলেও বাইরে বেরোনোর জন্য বুকের সামনে দিয়ে কাটা আর সেই সঙ্গে কোমরের কাছে থেকে কুঁচি করে বেশ খানিকটা ঢিলেঢালা পোশাক পরলে বেশ আরাম পাওয়া যাবে। পোশাক সুতি বা লিনেন হলে ভালো। এ সময় কাটা পোশাক পরা উচিত কেননা শিশুকে বারবার খাওয়াতে হয়। 

নতুন মা ও সন্তানকে দেখতে প্রায়ই বাসায় মানুষ আসেন। সে সময় নিজেকেই গোছাবেন নাকি সুন্দর পোশাক পরবেন তা নিয়ে ভাবনা তৈরি হয়। এ সময় আরামদায়ক ও পরিচ্ছন্ন পোশাকের পাশাপাশি সুন্দর ও পরিপাটি পোশাক পরিধান করা উচিত। ঢিলেঢালা পোশাকের হাতাটাও ঢিলেঢালা হলে ভালো, পরা যেতে পারে হাতাকাটা পোশাকও। ফ্রিল দেওয়া বা এ-লাইন কাটের পোশাক দেখতে ভালো লাগবে। নতুন মায়ের পোশাকের সামনের দিকে যেহেতু খোলার সুবিধা রাখতে হয়, তাই সেখানে চেইন কিংবা নানান নকশার বোতাম জুড়ে দিলে দেখতে ভালো লাগবে। 

নিগার জাহান খন্দকার সিন্ধু এবং খাদিজা তাহেরা ও মেয়ে ফাতিমা যারাহ 

অন ক্লাউড নাইন অ্যান্ড হাফের স্বত্বাধিকারী আফরিন আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশে এখনো তেমন ফ্যাশনেবল কিছু নেই নতুন মায়েদের জন্য। তাই নিজেকেই নিজের ভালো বুঝতে হবে। ফেব্রিক হিসেবে কটন, নরম, ব্রিদেবল কাপড় বেছে নিতে হবে। ডিজাইন হিসেবে স্ট্রেচি ও ঢিলেঢালা প্রেফারেবল। কারণ পোস্টপার্টাম সময়ে স্কিন সেনসিটিভ থাকে এবং ব্রিদেবল ফেব্রিক জরুরি। বাসার জন্য সামনে ফুল ওপেন গাউন বেস্ট। বাইরের জন্য ফ্রন্ট ওপেন টুপিস ভালো হবে। প্যান্টের ইলাস্টিক যেন ঢিলাঢালা হয়। কারণ সিজারের পর হাই-ওয়েস্ট, সফট ওয়েস্টব্যান্ড খুব গুরুত্বপূর্ণ। র‍্যাপ কুর্তিও নিউ মাদারদের জন্য সুবিধাজনক ড্রেস হবে বিশেষত যারা ব্রেস্ট ফিড করায়। বুকের নিচ থেকে ঢিলা ফ্লেয়ার কাট কুর্তা ভালো হবে। কোমরে কোনো চাপ পড়বে না। আর পার্টিতে শাড়ি পরতে চাইলে শাড়ির প্লিট আগে থেকেই সেলাই করা (pre-stitched) থাকতে হবে। কোমরে প্লিট ঢোকানোর যেন দরকার না পড়ে (no tucking)। কারণ তাতে সিজারের স্কারে চাপ পড়ে না, সহজে পরা যায়, আর দেখতে শাড়ির মতোই এলিগ্যান্ট হবে।’

এ তো গেল নতুন মায়ের ফ্যাশন। কিন্তু যে মায়েরা আমাদের বড় করতে করতে নিজেদের দিকে আর ফিরে তাকাননি, সে মায়েদের ফ্যাশন কেমন হওয়া উচিত? অন্যদের সাজাতে সাজাতে তারা নিজের কথা ভুলে যান, আত্মবিশ্বাস যেন কোথায় হারিয়ে যায়। এমন মায়েদের জন্য খানিকটা সময় বের করে নতুন রূপে সাজাতে পারলে ক্ষতি কী? 

প্রায় প্রতিটি বাঙালি মায়ের প্রিয় পোশাক শাড়ি। এ পছন্দের তালিকায় আবার শীর্ষে রয়েছে তাঁত, জামদানি। ট্রেন্ডিংয়ে রয়েছে পাউডার ব্লু, ডাস্টি ব্লুয়ের মতো হালকা শেডের নীল। এই গরমে সাদা বা ঘিয়ে রঙা শাড়িও স্বস্তি দেবে। অনুষ্ঠানের জন্য জমকালো ভাব আনতে নীলের উজ্জ্বল কোনো শেড, সোনালি বা ম্যাজেন্টা ও হট পিংকও বেছে নেওয়া যায়। সুতি ছাড়া জামদানি যে কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য দারুণ একটি অপশন। 

কখনও কি পুরনো অ্যালবাম ঘেঁটে দেখেছেন মায়ের পরনে কেমন গহনা ছিল? কানবালা, ঝুমকা, চোকার বা মোটা জাফরি কাটা বালা? সেই পুরনো গহনাগুলো বের করে মাকে পোশাকের সাথে মিলিয়ে একবার পরিয়েই দেখুন। ভিনটেজ এসব গহনা মুহূর্তেই তাকে পুরনো দিনে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। চাইলে ফিউশন করে বা পশ্চিমা ঘরানার ফ্যাশন জুয়েলারিও দারুণভাবে মানিয়ে যাবে। 

সাজে আভিজাত্য 

মায়েদের কাছে যদি কখনও তাদের ছোটবেলার ত্বকের যত্ন আর সাজের গল্প শুনতে চান তাহলে খুব কমন কিছু কথা জানতে পারবেন। নানি-দাদিরা মায়ের ত্বকে লাগিয়ে দিত ডাল বাটা, কাঁচা হলুদ বা বেসন, চালের গুঁড়ো, টমেটো, খাঁটি নারকেল তেল। চুলে লাগানো হতো নারিকেল তেল। এই ছিল তাদের রূপচর্চা। কোথাও যাওয়ার সময় সাজ বলতে চোখে কাজল, কপালে টিপ আর চুলে খোঁপা। বিশেষ কিছু না করেও সে বয়সে আমাদের মায়েরা হয়ে উঠতেন অপরূপা। 

ছবি - রঙ বাংলাদেশ 

দিনের পর দিন নানা কাজের ব্যস্ততায় আর বয়সের ভারে মায়েদের ত্বকে ভাঁজ পড়ে। তবু তাদেরও কি কখনও নিজেদের সেই সময়ের কথা মনে পড়ে না? তারা হয়তো নিজেরা সেই সময়ে কখনও ফেরার কথা ভাবতে পারেন না। কিন্তু আমরা চাইলে খানিকটা তাদের পুরনো দিন মনে করিয়ে দিতে পারি খানিকটা ভিন্ন আঙ্গিকে। বর্তমানে ত্বকের যত্নে নানা পণ্য পাওয়া যায়। এসব পণ্য ব্যবহারে মায়েদের অভ্যস্ত করে তুলুন। 

হালকা সাজেই এখন মায়েদের তৃপ্তি। যেকোনো অনুষ্ঠানের আগে তাদের পরিপাটি ও সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলার দায়িত্ব এখন আমাদের। ফেসিয়াল করলে সাজার পরে ঘাম-তেলের ভাব কম বোধ হবে। ক্রিম বেজ না ব্যবহার করে ফিনিশিং দিতে লুজ বা ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার বেছে নেওয়া যায়। স্মোকি আই মেকআপ নতুন মায়েদের ভালো লাগে। যে মায়েরা সাজতে পছন্দ করেন না তাদের ক্ষেত্রে বাদামির শেড ব্যবহার করা যায়। তবে কাজল আর আইলাইনার গাঢ় হলে ক্ষতি নেই। লিপ কালারের শেডের মধ্যে এখন ন্যুড কালার প্যালেট বাদ দিলে রেইজিন, ওয়াইন, পিচ, কফি আর ফুশিয়ার দিন চলছে। ক্ল্যাসিক মেরুনও মানাবে বেশ সবকিছুর সঙ্গে। সেমি ম্যাট ধরন বেছে নিলে ভালো। বেশি গ্লসি লিপস্টিক যেমন এমন দিনের উপযোগী নয়, আবার বেশি ম্যাট হলেও নিষ্প্রাণ দেখাবে।

মায়ের জন্য স্বাস্থ্যসচেতনতা 

প্রসব-পরবর্তী সময়ে সাধারণত মা ও শিশু দীর্ঘ সময় ঘরেই থাকে। সকাল থেকে রাত অবধি কেবল নবজাতকের সঙ্গে থাকা এবং শিশুর রুটিনের সঙ্গে মায়ের অভ্যস্ত হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে একঘেয়েমি আসতে পারে। এ সময় তার দৈনন্দিন কাজে কিছুটা বিরতি দেওয়া প্রয়োজন। সুন্দর কোনো স্থানে বেড়াতে গেলে বা অন্তত নিকটস্থ পার্ক থেকে খানিকটা সময় হেঁটে এলে নতুন মায়ের মন প্রশান্ত থাকবে এবং দৈনন্দিন রুটিনের একঘেয়েমি থেকে ছুটি মিলবে। এটি মানসিক সুস্থতার জন্য খুব জরুরি। 

ছবি - রঙ বাংলাদেশ 

প্রসব-পরবর্তী সময়ে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় নবজাতক শিশুটি ঘুমিয়ে গেলে মা অন্যান্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এক্ষেত্রে মোবাইল বা অন্য যেকোনো ডিভাইস দূরে রেখে শিশুর পাশাপাশি মা খানিকটা সময় ঘুমিয়ে নিতে পারেন। মায়ের সুস্থতার জন্য ন্যূনতম ছয় ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সংসারের কাজে সাহায্য করে বাবারা এটি নিশ্চিত করতে পারেন। 

নবজাতক শিশুর যত্নের পাশাপাশি দেখা যায় মা পরিবারের অনেক কাজ করে থাকেন। ঘর গোছানো, পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে রান্নাঘরে অনেকটা সময় চলে যায়। এক্ষেত্রে প্রায়োরিটি অনুযায়ী কাজ করাটা খুব জরুরি। গৃহস্থালি কাজে অতিরিক্ত সময় না দিয়ে সেসময় নিজের যত্ন নেওয়া হতে পারে অনেক উপকারী। সেটা একটি ছোট্ট টি ব্রেক, ত্বক ও চুলের যত্ন অথবা বিশ্রাম করা হতে পারে। এ সময়ে এমন কাজগুলো বেছে নেওয়া যা শরীর ও মনকে ভালো রাখে। 

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মায়েরা ব্যক্তিজীবনে এত ব্যস্ত হতে থাকেন যে নিজের নাওয়া-খাওয়া ভুলে কাজকর্ম করতে থাকেন। এতে ধীরে ধীরে তাদের শরীর ভেঙে পড়তে থাকে। তাই সন্তানকেই বেছে নিতে হবে মায়ের সঙ্গ। যে কাজগুলো মা রোজ করেন, সে কাজগুলো থেকে মাকে কখনও কখনও ছুটি দিতে হবে। তাদেরও সময় দিতে হবে পর্যাপ্ত ঘুমানোর জন্য। নিয়মিত তাদের চেকআপ করানো, ওষুধ খাওয়ানো, বাইরে হাঁটতে নিয়ে যাওয়ার মতো কাজগুলো সন্তানকেই বুঝে নিতে হবে। পারিবারিক অনুষ্ঠানগুলোতে মাকে নিয়ে যান, সম্ভব হলে বাইরে দূরে কোথাও কয়েক দিনের জন্য অবসর যাপনেও নিয়ে যেতে পারেন। মায়েরা যখন মেনোপজে চলে যান, তখন তাদের শরীরে নানা পরিবর্তন আসে, এ পরিবর্তনের সঙ্গে তারা নিজেরাও পরিচিত থাকেন না। তাদের আচার ব্যবহারেও দেখা যায় পার্থক্য। এগুলো কোনোটাই অসুস্থতা নয়, জীবনের নতুন একটি ধাপ। এ ধাপ সম্পর্কে নিজেদের আগে জানতে হবে, মাকে বোঝাতে হবে পরিবর্তনশীল জীবনে এই ধাপগুলো আসবেই। ভয় না পেয়ে একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। 

ছবি - রঙ বাংলাদেশ 

মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক 

একজন মেয়ে যখন মা হয়, তখন থেকে নতুন সম্পর্ক তৈরি হতে থাকে প্রতিমুহূর্তে। টিনেজ খুব জটিল একটা বয়স। এ বয়সে মায়ের সঙ্গে সন্তানের দূরত্ব প্রায়শ বাড়তে থাকে। তবে যে মায়েরা এ দূরত্ব ঘুচিয়ে ফেলতে পারেন তারা মেয়ের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হয়ে ওঠেন। খাদিজা তাহেরা মেয়ে ফাতিমা যারাহ্র বড় হওয়ার সঙ্গী হয়েছেন নিজ পছন্দে। সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ারকে খানিকটা বিসর্জন দিয়েই তিনি মেয়ের সঙ্গে বড় হচ্ছেন। খাদিজা বলেন, ‘একটা মেয়ের মা হওয়ার শুরু থেকেই তার ভেতরে অনেক স্বপ্ন-আশা, অনেক কিছু চলতে থাকে তার মনের মধ্যে। ঠিক তেমনি আমার মনের মধ্যে একটা স্বপ্ন ছিল, যে আমার একটা ফুটফুটে পরীর মতো মেয়ে হবে আর সে আস্তে আস্তে আমার বান্ধবী হয়ে উঠবে। যারাহ্ যখন একদম ছোট, তখন তার ছোটবেলাটা আমি দেখতে পারিনি আমার কর্মজীবনের কারণে কিন্তু সে যখন আস্তে আস্তে বড় হয়ে উঠতে লাগল, তখনই আমার মধ্যে একটা তীব্র লোভ কাজ করত একটু একটু করে তার শৈশব থেকে কৈশরের যাত্রার সঙ্গী হতে। সেই লোভ আমি সামলাতে না পেরে আমার কর্মজীবনের অবসান ঘুচিয়ে আমিও তার সঙ্গে বড় হতে লাগলাম। এক রকম ড্রেস পরা একসঙ্গে ট্রিপে যাওয়া। এক্সাম খারাপ হলে ট্রিট দেওয়াÑ এসব মিলে আমাদের দুজনের বড় হওয়াটা যেন একেকটা গল্প।’

ঠিক এভাবেই মেয়ে ধীরে ধীরে মায়ের বন্ধু হয়ে ওঠে। একসময় মা বুড়ো হয়, মেয়ে আসে মায়ের জায়গায়। তখন বুঝতে পারে মা কতটুকু আমাদের জন্য বিসর্জন দিয়ে আজ এ জায়গায় দাঁড়িয়ে। কথায় বলে, মাকে বুঝতে হলে তার জায়গায় না আসা পর্যন্ত কিছুই বোঝা যায় না। মায়ের সঙ্গে সব সন্তানের সম্পর্ক মধুর হোক, ভালো থাকুক জগতের সব মা ও সন্তান।


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা