× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মে দিবস ২০২৬

সস্তা শ্রমের ফাঁদ ও এক বিকল্প অর্থনীতির রূপরেখা

শাহেরীন আরাফাত

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:২৩ পিএম

গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নের বিপুল সম্ভাবনা এখন হুমকিতে

গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নের বিপুল সম্ভাবনা এখন হুমকিতে

১৮৮৬ সালের পহেলা মে। শিকাগো শহর হয়ে উঠেছিল শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের এক অগ্নিগর্ভ রণক্ষেত্র। যার ধারাবাহিকতা ও প্রাসঙ্গিকতা আজও রূপ বদলে টিকে আছে বিশ্বের প্রতিটি কারখানায়, প্রতিটি ফসলের মাঠে। মে দিবস বা ‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস’ কেবল ক্যালেন্ডারের পাতায় লাল দাগ দেওয়া একটি ছুটির দিন নয়; এটি বিশ্বব্যাপী আগ্রাসী পুঁজিতান্ত্রিক কাঠামোর বিপরীতে শ্রমজীবী মানুষের আত্মত্যাগ, অধিকার আদায়ের সংগ্রাম এবং শ্রেণি-চেতনার এক ঐতিহাসিক স্মারক।

শিকাগোর সেই আন্দোলনের প্রধান দাবিটি ছিল অত্যন্ত সুস্পষ্ট- দৈনিক ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস। উনিশ শতকের শুরুতে ন্যূনতম মজুরির বিনিময়ে শ্রমিকদের সপ্তাহে ৬ দিনই ১০ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত অমানবিক পরিশ্রম করতে হতো। এই শোষণের শৃঙ্খল ভাঙতে ১৮৮৪ সালের শিকাগো কনভেনশনে দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের প্রস্তাব পাস হয় এবং তা কার্যকর করতে ১৮৮৬ সালের পহেলা মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়। কর্মঘণ্টা কমানোর এই ন্যায্য দাবিতে সেদিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে প্রায় সাড়ে তিন লাখ শ্রমিক কাজ ফেলে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। অচল হয়ে পড়েছিল শিকাগো। কিন্তু পুলিশ বিনা উস্কানিতে ৩ মে ‘ম্যাক কর্মিক রিপার’ কারখানায় গুলি চালিয়ে ছয় শ্রমিককে হত্যা করে। পরদিন ৪ মে, হে মার্কেট চত্বরের প্রতিবাদ সমাবেশে ফের নির্বিচারে গুলি চলে। পুলিশের গুলিতে অগণিত শ্রমিকের রক্তে রঞ্জিত হয় হে মার্কেট। পরে প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে এলবার্ট পারসন্স, অগাস্ট স্পাইসসহ চার শ্রমিক নেতাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। কিন্তু বুলেটের ভয় দেখিয়ে অধিকারের সেই আগুন নেভানো যায়নি। শেষ পর্যন্ত পুঁজিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো মাথা নত করতে বাধ্য হয় এবং অর্জিত হয় ৮ ঘণ্টার কর্মদিবস।

কাঠামোগত শোষণের আধুনিক রূপ

শিকাগোর সেই রক্তস্নাত ইতিহাসের ১৪০ বছর পর, আজকের বিশ্বায়িত অর্থনীতিতে শোষণের রূপ বদলেছে মাত্র, কিন্তু চরিত্র বদলায়নি। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি) ও অন্যান্য রপ্তানিমুখী খাতের দিকে তাকালেই তা স্পষ্ট হয়। দীর্ঘকাল ধরে এদেশের ‘সস্তা শ্রম’ বা ‘চিপ লেবার’কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা হিসেবে মহিমান্বিত করে প্রচার করা হয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক অর্থনীতির তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে, এটি মূলত বিশ্বায়িত পুঁজির ব্যয় সংকোচনের নামে এক ধরনের সুপরিকল্পিত ও প্রাতিষ্ঠানিক শ্রম-শোষণ।

পরিসংখ্যান ও গবেষণায় স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, বাংলাদেশের শ্রমিকরা বিশ্বের অন্যতম নিম্ন মজুরিতে কাজ করেন। তৈরি পোশাক খাতের মালিকদের বিপুল মুনাফার মার্জিন এবং বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর স্ফীত মূলধনের সঙ্গে এদেশের একজন শ্রমিকের মাসান্তের আয়ের তুলনা করলে এই শোষণের নগ্ন রূপটি উন্মোচিত হয়। ২০১৩ সালের রানা প্লাজা ধসের পর এই ‘সস্তা কাপড়ের’ পেছনের ভয়াবহ মানবিক মূল্য বিশ্ববাসীর সামনে স্পষ্ট হয়েছিল, অনেকেই একে আখ্যা দিয়েছিলেন ‘আধুনিক দাসত্ব’ হিসেবে।

বর্তমানে বাংলাদেশ এক গভীর অর্থনৈতিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পর জিএসপি সুবিধাসহ অনেক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সুবিধা বাতিল হয়ে যাবে। রপ্তানিমুখী অর্থনীতি পড়তে যাচ্ছে এক বিশাল ধাক্কার মুখে। ভূরাজনৈতিক সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ঊর্ধ্বমুখী, অন্যদিকে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত ট্যারিফ বা শুল্ক আরোপের খড়গ ঝুলিয়ে রেখেছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত অসম বাণিজ্য চুক্তি দেশের অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত। এসব চুক্তির কারণে শুধু যে পোশাক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা নয়, ভবিষ্যতে দেশের কৃষি ও ওষুধ খাতও বড় ধাক্কার মুখে। এসব খাতের পণ্য বহুজাতিক কোম্পানির আগ্রাসনে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ার তীব্র ঝুঁকি রয়েছে। এই অসম চুক্তি বাতিল এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী নীতি প্রণয়নকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এখন সময়ের জোরালো দাবি।

অদৃশ্য নারী শ্রম ও কাঠামোগত বৈষম্য

বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে নারী শ্রমিকদের অবদান অসামান্য হলেও তাদের শ্রমের একটি বড় অংশ এখনও অদৃশ্য, অবমূল্যায়িত এবং কাঠামোগত বৈষম্যের শিকার। সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) তথ্যমতে, কৃষি খাতে নারী শ্রমিকদের শ্রমের একটি বিশাল অংশ ‘অবৈতনিক’। পারিবারিক কৃষিকাজ ও গৃহস্থালি অর্থনীতিতে নারীদের এই বিশাল অবদানকে আজও কোনো অর্থনৈতিক মূল্যে রূপান্তর বা নীতিগত স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। গ্রামীণ নারী শ্রমিকদের এই অদৃশ্য শ্রমই পুঁজিতান্ত্রিক ব্যবস্থার সামাজিক পুনরুৎপাদনের ভিত্তি, অথচ এর কোনো আইনি সুরক্ষা নেই।

নগর অর্থনীতিতেও চিত্রটি ভিন্ন নয়। তৈরি পোশাক খাতে প্রায় ৬০ শতাংশ শ্রমিক নারী এবং বৈশ্বিক ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির ৮২ শতাংশ ক্রেতাই নারী। কিন্তু নেতৃত্বের কাঠামোতে নারীদের উপস্থিতি হতাশাজনক। রাইজ (RISE)-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের পোশাক কারখানার সুপারভাইজার ও ম্যানেজারদের মধ্যে মাত্র ৯ শতাংশ নারী, আর ৮৪ শতাংশ নারী শ্রমিক সর্বনিম্ন বেতনের অপারেটর বা হেলপার পদে আটকে আছেন। নারী শ্রমিকদের ‘নমনীয়’ ও ‘সহজে নিয়ন্ত্রণযোগ্য’ মনে করার যে পিতৃতান্ত্রিক ও পুঁজিতান্ত্রিক মনস্তত্ত্ব, তা মালিকপক্ষকে এই শোষণ অব্যাহত রাখতে সহায়তা করে। কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি রোধে আইএলও কনভেনশন ১৯০ বাস্তবায়ন, বৈতনিক মাতৃত্বকালীন ছুটি ৬ মাসে উন্নীত করা এবং কারখানায় নারীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা ছাড়া অর্থনীতিতে নারীর প্রকৃত ক্ষমতায়ন সম্ভব নয়।

জলবায়ু পরিবর্তন : শ্রমিকের নতুন অস্তিত্বের সংকট

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শ্রমজীবী মানুষের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন এক নতুন এবং ভয়াবহ কাঠামোগত সংকট হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এটি কেবল পরিবেশগত বিষয় নয়, এটি সরাসরি শ্রমিকের বেঁচে থাকা ও অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত। ২০২৫ সালের গ্রীষ্মে ঢাকায় অনুভূত তাপমাত্রা বা ‘হিট ইনডেক্স’ প্রায় ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল। লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের এক গবেষণা সতর্ক করেছে যে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেলে ২০৮০ সালের মধ্যে তাপের সংস্পর্শে আসা খাতগুলোতে উৎপাদনশীলতা প্রায় ৪৬ শতাংশ হ্রাস পাবে। তীব্র দাবদাহে শ্রমিকরা কেবল হিটস্ট্রোক বা পানিশূন্যতায় ভুগছেন না, তাদের কর্মক্ষমতা কমছে, আয় কমছে এবং তারা দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে নিপতিত হচ্ছেন। পাশাপাশি বন্যা, নদীভাঙন ও জলোচ্ছ্বাস গ্রামীণ কৃষি শ্রমিকদের বাস্তুচ্যুত করে শহরের বস্তিগুলোতে ঠেলে দিচ্ছে। ক্লাইমেট রাইটস ইন্টারন্যাশনালের (সিআরআই) প্রতিবেদন অনুযায়ী, উন্নত দেশগুলোর জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের চড়া মাশুল দিচ্ছে বাংলাদেশের দরিদ্র শ্রমিকরা; যা বিশ্বব্যাপী ‘জলবায়ু অবিচার’-এর এক চরম দৃষ্টান্ত। এই সংকট মোকাবিলায় শিল্প খাতে একটি ‘জাস্ট ট্রানজিশন’ বা ন্যায্য রূপান্তর অত্যন্ত জরুরি।

উন্নয়নের মরীচিকা ও পশ্চিমা আধুনিকীকরণ তত্ত্ব

দীর্ঘদিন ধরে আমাদের নীতিনির্ধারকরা পশ্চিমা ‘আধুনিকীকরণ’ তত্ত্বের মোহে আচ্ছন্ন। এই তত্ত্বের বয়ান অনুযায়ী, পশ্চিমা জ্ঞান, মেগা-অবকাঠামো এবং অবাধ মুক্তবাজার অর্থনীতিই হলো অনুন্নত দেশগুলোর একমাত্র পরিত্রাণ। কিন্তু এই তথাকথিত উন্নয়নের বাস্তব প্রয়োগে আমরা দেখেছি, গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নের বিপুল সম্ভাবনাকে গলা টিপে হত্যা করার দৃশ্য। কংক্রিটের মহানগরের মরীচিকা দেখাতে গিয়ে শিল্পায়ন বা মেগা প্রকল্পের নামে গ্রামের পর গ্রাম উচ্ছেদ করা হয়েছে, কৃষকের জীবন-জীবিকা বিপর্যস্ত করা হয়েছে।

যেকোনো মূল্যে একবার ‘সিঙ্গাপুর’ হয়ে গেলেই বুঝি দেশের সব দারিদ্র্য ঘুচে যাবেÑ এমন এক মেকি স্বপ্নে বিভোর হয়ে আমরা আমাদের হাজার বছরের কৃষিব্যবস্থা ও স্থানীয় অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছি। স্বাবলম্বী হওয়ার বদলে ধনী দেশের ব্যাংক, করপোরেশন ও প্রযুক্তির ওপর চিরস্থায়ী নির্ভরশীলতাকেই ‘সফল উন্নয়ন’ বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটি আসলে শতবর্ষী সেই শোষক ঔপনিবেশিক অর্থনীতিরই এক নবরূপ।

বিকল্প অর্থনীতির রূপরেখা

পশ্চিমা নির্ভরতা এবং এককেন্দ্রিক উন্নয়নের এই বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে বহুমুখী করার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমানে আমাদের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশই আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এক ঝুড়িতে সব ডিম রাখার এই আত্মঘাতী নীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

আজকের দুনিয়ায় সস্তা শ্রম নয়, মেধাভিত্তিক সেবাই হতে পারে আমাদের প্রধান হাতিয়ার। আইটি ও সফটওয়্যার খাতে বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে গ্রামীণ তরুণদের বিশ্ববাজারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। ফার্মাসিউটিক্যালস বা ওষুধ শিল্পকে পোশাক শিল্পের সমকক্ষ করে তুলতে মেধাস্বত্ব আইনের সুবিধা কাজে লাগাতে হবে। পাশাপাশি চামড়া শিল্প, হালকা প্রকৌশল এবং বঙ্গোপসাগরের বিশাল সামুদ্রিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে সুনীল অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে হবে।

সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সবুজ অর্থনীতি বা গ্রিন ইকোনমি মডেল গ্রহণ করা। কৃষিকে কেবল জীবিকা নয়, বরং একই সঙ্গে প্রাণ ও শিল্পের আধার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। দেশে পর্যাপ্ত গরু-ছাগল থাকা আমাদের জন্য একটি সাফল্য। ক্ষুদ্র কৃষকদের সমবায়ের মাধ্যমে একীভূত করে জৈব কৃষি পদ্ধতি, আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এতে উৎপাদন খরচ কমবে এবং ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে। বীজ, সার, কীটনাশক কৃষক নিজেই তৈরি করবেন; হতে সমন্বিত চাষাবাদ। বিশ্বজুড়ে এখন নিরাপদ খাদ্যের বিশাল বাজার তৈরি হয়েছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে জৈব কৃষির প্রসার ঘটিয়ে এই রপ্তানি বাজার ধরা সম্ভব।

কৃষিপণ্য গ্রামে বসেই প্রক্রিয়াজাত করার ক্ষুদ্র শিল্প গড়ে তুলতে পারলে মানুষকে কাজের সন্ধানে আর ঢাকা শহরে ছুটতে হবে না। এ ছাড়া মেগা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌরবিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সার্কুলার ইকোনমি চালু করতে হবে।

উন্নয়নের অন্ধ অনুকরণের দিন শেষ। পশ্চিমা মডার্নাইজেশন তত্ত্বের শৃঙ্খল ভেঙে, আমাদের নিজস্ব ভৌগোলিক ও সামাজিক বাস্তবতায় এমন এক উন্নয়ন দর্শন প্রয়োজন; যার কেন্দ্রে থাকবে দেশের কৃষক, শ্রমিক, প্রাণপ্রকৃতি এবং সুষম বণ্টন ব্যবস্থা। তবেই আমরা এমন এক মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব, যেখানে আট ঘণ্টা কাজের ন্যায্য দাবি বা পাওনা মজুরি আদায়ের জন্য কোনো শ্রমিককে আর হে মার্কেটের মতো গুলি খেয়ে মরতে হবে না; আর রাষ্ট্রও কোনো বিদেশি পরাশক্তির অর্থনৈতিক হুমকির কাছে জিম্মি হবে না।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা